১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ দিল

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ১২

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার (১ জুলাই) এই সিদ্ধান্ত নেয়, যা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায়।

এই চার প্রতিষ্ঠানকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ এবং উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের নতুন মূলধন জোগান দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, খেলাপি ঋণের হার নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনতে হবে এবং সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বিলুপ্তি বা একীভূতকরণের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে খারাপ। অনেক গ্রাহক তাদের আমানত ফেরত না পেয়ে সমস্যায় রয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। তবে, প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় মূলধন জোগাতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ দিল

আপডেট সময় : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার (১ জুলাই) এই সিদ্ধান্ত নেয়, যা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায়।

এই চার প্রতিষ্ঠানকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ এবং উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের নতুন মূলধন জোগান দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, খেলাপি ঋণের হার নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনতে হবে এবং সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বিলুপ্তি বা একীভূতকরণের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে খারাপ। অনেক গ্রাহক তাদের আমানত ফেরত না পেয়ে সমস্যায় রয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। তবে, প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় মূলধন জোগাতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।