১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

পাঁচ বছর পর নেপালি যুবকের পরিচয় শনাক্ত, দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / ১০

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে পরিচয়হীন অবস্থায় থাকা এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তিনি নেপালের নাগরিক রিয়ান আনসারী, যিনি নেপালের বারা জেলার কালাইয়া থানার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি পলাশ আহমেদের হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিয়ান আনসারী প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারত সীমান্তের জলঙ্গী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পলাশ আহমেদ মানবিক কারণে দীর্ঘদিন ধরে রিয়ানের দেখাশোনা করছেন। সম্প্রতি রিয়ানের মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি ইমো নম্বর দেন।

রিয়ানের পরিবারের সদস্যরা তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন এবং দেশে ফিরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিদিন কয়েকবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন, যা তাঁর মানসিক অবস্থার উন্নতিতে সহায়তা করছে। পলাশ আহমেদ বলেন, “রিয়ান আমার কাছে পরিবারের একজন সদস্যের মতো। সে খুবই খুশি এবং পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায়।”

ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান একরামুল হক জানান, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, তিনি নতুন যোগদান করেছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না।

রিয়ানের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং পলাশ আহমেদের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করা হচ্ছে। তবে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অনিন্দ্য গুহের বক্তব্য জানা যায়নি।

পাঁচ বছর পর নেপালি যুবকের পরিচয় শনাক্ত, দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে পরিচয়হীন অবস্থায় থাকা এক যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তিনি নেপালের নাগরিক রিয়ান আনসারী, যিনি নেপালের বারা জেলার কালাইয়া থানার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি স্থানীয় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি পলাশ আহমেদের হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিয়ান আনসারী প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারত সীমান্তের জলঙ্গী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পলাশ আহমেদ মানবিক কারণে দীর্ঘদিন ধরে রিয়ানের দেখাশোনা করছেন। সম্প্রতি রিয়ানের মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি ইমো নম্বর দেন।

রিয়ানের পরিবারের সদস্যরা তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন এবং দেশে ফিরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিদিন কয়েকবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন, যা তাঁর মানসিক অবস্থার উন্নতিতে সহায়তা করছে। পলাশ আহমেদ বলেন, “রিয়ান আমার কাছে পরিবারের একজন সদস্যের মতো। সে খুবই খুশি এবং পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায়।”

ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান একরামুল হক জানান, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, তিনি নতুন যোগদান করেছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না।

রিয়ানের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং পলাশ আহমেদের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করা হচ্ছে। তবে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অনিন্দ্য গুহের বক্তব্য জানা যায়নি।