১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

জাহাজমারী খালের পুনঃখনন: কৃষকদের নতুন সম্ভাবনার সূচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • /

জাহাজমারী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। কলারোয়া উপজেলার জাহাজমারী এলাকায় ২০২৪ সালে ২ দশমিক ৯৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি পুনঃখনন করা হয়, যা প্রায় ৬২৫ হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ ও পানি নিষ্কাশনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় তিন হাজার কৃষক নতুন করে কৃষি উৎপাদনের স্বপ্ন দেখছেন।

শেখ আব্দুর রব, একজন স্থানীয় কৃষক, বলেন, “উপজেলা প্রশাসন যেসব উদ্যোগের আশ্বাস দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়িত হলে আমাদের কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে।” খালটি একসময় কৃষির প্রধান ভরসা ছিল, কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এটি নাব্যতা হারায়, ফলে কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছিলেন।

সোমবার, খালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “একটি খাল পুনঃখনন করাই শেষ কথা নয়, এর নাব্যতা ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।” তিনি কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম, খাল খনন কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল গফুর এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা একযোগে খালটির রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কৃষকদের উন্নয়নে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এছাড়া, কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন এবং ভবিষ্যতে খালটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজেদের গঠিত তহবিলের মাধ্যমে কাজ করার পরিকল্পনা করেন। তারা বিশ্বাস করেন, প্রশাসনের সহযোগিতা এবং স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাহাজমারী খাল একটি টেকসই কৃষি ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

জাহাজমারী খালের পুনঃখনন: কৃষকদের নতুন সম্ভাবনার সূচনা

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

জাহাজমারী খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। কলারোয়া উপজেলার জাহাজমারী এলাকায় ২০২৪ সালে ২ দশমিক ৯৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি পুনঃখনন করা হয়, যা প্রায় ৬২৫ হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ ও পানি নিষ্কাশনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় তিন হাজার কৃষক নতুন করে কৃষি উৎপাদনের স্বপ্ন দেখছেন।

শেখ আব্দুর রব, একজন স্থানীয় কৃষক, বলেন, “উপজেলা প্রশাসন যেসব উদ্যোগের আশ্বাস দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়িত হলে আমাদের কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে।” খালটি একসময় কৃষির প্রধান ভরসা ছিল, কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এটি নাব্যতা হারায়, ফলে কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছিলেন।

সোমবার, খালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, “একটি খাল পুনঃখনন করাই শেষ কথা নয়, এর নাব্যতা ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।” তিনি কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগিখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম, খাল খনন কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল গফুর এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা একযোগে খালটির রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কৃষকদের উন্নয়নে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এছাড়া, কৃষকরা নিজেদের উদ্যোগে খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন এবং ভবিষ্যতে খালটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজেদের গঠিত তহবিলের মাধ্যমে কাজ করার পরিকল্পনা করেন। তারা বিশ্বাস করেন, প্রশাসনের সহযোগিতা এবং স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাহাজমারী খাল একটি টেকসই কৃষি ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।