০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

লন্ডনের হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মাদক গ্রহণের প্রমাণ মিলেছে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • /

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ২৯ বছর বয়সী সৌদি যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ বিন জালাউয়ি আল সৌদের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, যুবরাজের মৃত্যুর কারণ হিসেবে মারাত্মক মাত্রায় অ্যালকোহল ও বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের কেনসিংটন এলাকার ম্যারিয়ট হোটেলের একটি কক্ষের বাথরুম থেকে যুবরাজের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তালাবদ্ধ কক্ষটি খোলার পর তাকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তিনি মৃত ঘোষণা হন।

ইনার ওয়েস্ট লন্ডন করোনারস কোর্টের তদন্তে যুবরাজের শরীরে মারাত্মক মাত্রায় নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল ১০০ মিলিলিটারে ২২২ মিলিগ্রাম, যা গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত বৈধ মাত্রার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। এছাড়া, তার শরীরে ‘জিএইচবি’ নামের পার্টি ড্রাগ, গাঁজার আলামত এবং উদ্বেগ কমানোর বিভিন্ন ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে, যুবরাজের মৃত্যুর আগের দিন তিনি একা হোটেলের বাইরে ধূমপান করতে গিয়েছিলেন এবং পরে নিজ কক্ষে ফিরে আসেন। কক্ষে অন্য কারও প্রবেশের প্রমাণ না পাওয়ায় তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততার সন্দেহ বাতিল করা হয়েছে।

সহকারী করোনার জিন হারকিন তার রায়ে বলেন, ‘যুবরাজ আবদুল্লাহ নিজের জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একাধিক মাদকের বিক্রিয়ায় দুর্ঘটনাবশত তার মৃত্যু হয়েছে।’ যুবরাজের মৃত্যুর পর সৌদি আরবের রয়্যাল কোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।

লন্ডনের হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু: তদন্তে মাদক গ্রহণের প্রমাণ মিলেছে

আপডেট সময় : ০৩:০২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ২৯ বছর বয়সী সৌদি যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ বিন জালাউয়ি আল সৌদের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, যুবরাজের মৃত্যুর কারণ হিসেবে মারাত্মক মাত্রায় অ্যালকোহল ও বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর লন্ডনের কেনসিংটন এলাকার ম্যারিয়ট হোটেলের একটি কক্ষের বাথরুম থেকে যুবরাজের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তালাবদ্ধ কক্ষটি খোলার পর তাকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। চিকিৎসকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তিনি মৃত ঘোষণা হন।

ইনার ওয়েস্ট লন্ডন করোনারস কোর্টের তদন্তে যুবরাজের শরীরে মারাত্মক মাত্রায় নেশাজাতীয় দ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল ১০০ মিলিলিটারে ২২২ মিলিগ্রাম, যা গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত বৈধ মাত্রার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি। এছাড়া, তার শরীরে ‘জিএইচবি’ নামের পার্টি ড্রাগ, গাঁজার আলামত এবং উদ্বেগ কমানোর বিভিন্ন ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে, যুবরাজের মৃত্যুর আগের দিন তিনি একা হোটেলের বাইরে ধূমপান করতে গিয়েছিলেন এবং পরে নিজ কক্ষে ফিরে আসেন। কক্ষে অন্য কারও প্রবেশের প্রমাণ না পাওয়ায় তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততার সন্দেহ বাতিল করা হয়েছে।

সহকারী করোনার জিন হারকিন তার রায়ে বলেন, ‘যুবরাজ আবদুল্লাহ নিজের জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একাধিক মাদকের বিক্রিয়ায় দুর্ঘটনাবশত তার মৃত্যু হয়েছে।’ যুবরাজের মৃত্যুর পর সৌদি আরবের রয়্যাল কোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।