১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / ৩০

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াতে রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ব্যাপক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা হাতে নিয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিআরটিএ ভিজিলেন্স তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সোমবার,২৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার পর গাবতলী বাস টার্মিনাল ও গাবতলী গরুর হাট পরিদর্শন শেষে এসব বলেন তিনি।

মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পশুর হাট, বাস টার্মিনাল, ব্যাংক, ঈদ জামাত এবং ঈদের ছুটিকালীন ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত প্রতিটি পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি হাটে দৃশ্যমান পুলিশ উপস্থিতিসহ একটি করে সাব কন্ট্রোলরুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় প্রতিটি গরুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন থাকছে।

এছাড়াও, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে ডিবিসহ সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ টিম ২৪ ঘণ্টা মোতায়ন আছে। অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে মানি এসকর্ট সার্ভিস চালু রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত মোবাইল টিম, ফুট পেট্রোল এবং চেকপোস্ট ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। পশুর হাটে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে যেমন গাবতলী, উত্তরা, যাত্রাবাড়ি চেকপোস্ট রয়েছে। পশুবাহী গাড়ি চলাচলের নজরদারি আছে যেন কেউ কোনো পশুবাহী ট্রাককে নির্দিষ্ট হাট ছাড়া অন্য কোথাও জোরপূর্বক নামাতে না পারে। গরুর হাটের হাসিল কাউন্টারগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে হাটগুলোতে বুথ বা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে লেনদেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঈদের আগের দিনগুলোতে ঢাকা ছাড়ছেন লাখ লাখ মানুষ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর যাতায়াত নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাস, লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলওয়ে স্টেশনে পুলিশ কন্ট্রোলরুম এবং ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী বাস টার্মিনালসহ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়ন আছে। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধে ডিএমপির বিজ্ঞ স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্টগুলো যানজটমুক্ত রাখা হচ্ছে।

গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি টার্মিনালেই আমাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। পাশাপাশি বিআরটিএ ভিজিলেন্স টিমে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করছেন। আমরা তাদের সঙ্গে আজকে কথাও বলেছি। এই ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং আমাদের নজরে আসামাত্রই আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াতে রাজধানীবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ব্যাপক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা হাতে নিয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিআরটিএ ভিজিলেন্স তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সোমবার,২৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার পর গাবতলী বাস টার্মিনাল ও গাবতলী গরুর হাট পরিদর্শন শেষে এসব বলেন তিনি।

মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পশুর হাট, বাস টার্মিনাল, ব্যাংক, ঈদ জামাত এবং ঈদের ছুটিকালীন ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত প্রতিটি পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি হাটে দৃশ্যমান পুলিশ উপস্থিতিসহ একটি করে সাব কন্ট্রোলরুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় প্রতিটি গরুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন থাকছে।

এছাড়াও, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে ডিবিসহ সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ টিম ২৪ ঘণ্টা মোতায়ন আছে। অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে মানি এসকর্ট সার্ভিস চালু রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত মোবাইল টিম, ফুট পেট্রোল এবং চেকপোস্ট ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। পশুর হাটে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে যেমন গাবতলী, উত্তরা, যাত্রাবাড়ি চেকপোস্ট রয়েছে। পশুবাহী গাড়ি চলাচলের নজরদারি আছে যেন কেউ কোনো পশুবাহী ট্রাককে নির্দিষ্ট হাট ছাড়া অন্য কোথাও জোরপূর্বক নামাতে না পারে। গরুর হাটের হাসিল কাউন্টারগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে হাটগুলোতে বুথ বা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে লেনদেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঈদের আগের দিনগুলোতে ঢাকা ছাড়ছেন লাখ লাখ মানুষ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর যাতায়াত নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাস, লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলওয়ে স্টেশনে পুলিশ কন্ট্রোলরুম এবং ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী বাস টার্মিনালসহ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়ন আছে। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধে ডিএমপির বিজ্ঞ স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্টগুলো যানজটমুক্ত রাখা হচ্ছে।

গাড়িতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি টার্মিনালেই আমাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। পাশাপাশি বিআরটিএ ভিজিলেন্স টিমে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করছেন। আমরা তাদের সঙ্গে আজকে কথাও বলেছি। এই ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং আমাদের নজরে আসামাত্রই আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন