ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি রেহান উদ্দিন
- আপডেট সময় : ১১:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / ২২০

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা। নবগঠিত এ কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শিক্ষা প্রশাসন ক্যাডারের ২২তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ রেহান উদ্দিন। তিনি উপজেলার কালিপুর গ্রামের কৃতি সন্তান। বর্তমানে তিনি বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে যুগ্ন সচিব এ কর্মরত রয়েছে।
শনিবার (১৭ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লার বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের জন্য এ এডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকার বলে সদস্য সচিব, শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে মোসা. সেলিনা পারভীন এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে মুহাম্মাদ কামরুল হাসান ঢালী।
জানা যায়, মুহাম্মদ রেহান উদ্দিন ইমামপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন কৃতী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষা প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি নিজ এলাকার শিক্ষা উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নবনিযুক্ত সভাপতি মুহাম্মদ রেহান উদ্দিন বলেন, নিজের প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আবেগের বিষয়। আমি এই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম। তাই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি আমার আলাদা দায়বদ্ধতা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। একটি আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।
এদিকে তার এ মনোনয়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার দক্ষ নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গুণগত শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে।

























