সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীর উপর আওয়ামীলীগ দোসরদের হামলা, থানায় অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
- / ১৬৮

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিদ্ধিরগঞ্জে গাড়ির সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে মো. মোখলেসুর রহমান (৬৫) নামের এক ব্যবসায়ী ও তার ভাইয়ের উপর হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী।
হামলায় গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত জখম হয়েছে তেল ব্যবসায়ী মো. মোখলেসুর রহমান ও তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম। গত শনিবার দুপুরে নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের এসও রোড সুমিলপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন, এসও রোড মন্ডলপাড়া এলাকার মো. জয়নালের ছেলে ভুইট্টা রনি (৩৫), সুমিলপাড়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে মো. জাবেদ (৩৫), মো. হাসেমের ছেলে দুলাল (৩২), হিরো (৩০), মতিউর রহমান মন্ডলের ছেলে খোকন (৩৭), সুরুজ মিয়ার ছেলে নুরু (৩৮), মোঃ শামসুলের ছেলে রঙ্গার জাহাঙ্গীর (৩৭), মৃত অদূতের ছেলে মামুন, মৃত কালামের ছেলে রুবেল (৩০), মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে সেলিম (৪৪), মৃত আসাদ কন্ট্রাকটারের ছেলে মহিন (২৭), মৃত আব্দুর রবের ছেলে মোঃ রনি মন্ডল (৪৫), মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে মোঃ আব্দুল গাফ্ফার (৪৬) ও শারজাহানের ছেলে মোঃ মিজান (৪৪)।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা সকলেই নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের সবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের অনুসারী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জ্বালানী তেলের ব্যবসা করে আসছে। গত শনিবার দুপুরে এসও রোড এলাকায় মেঘনা ডিপোর সামনে তেলের গাড়ির সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগীর সাথে অভিযুক্তদের কথাকাটাকাটি হয়। কথাকাটাকাটি হলে স্থানীয়রা দু’পক্ষের লোকজনদের দূরে সরিয়ে দেয়। ঘটনার প্রায় এক ঘন্টা পর অভিযুক্তরাসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র ধারালো চাপাতি, ছোরা, চাকু, লোহার রড, কাঠের ডাসা ও এসএস পাইপ নিয়ে ভুক্তভোগীদের উপর হামলা করে। হামলায় ৫ নং অভিযুক্ত খোকন তাহার হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়ে ভুক্তভোগীর মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে স্বজোরে আঘাত করে মাথায় গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে ব্যবসায়ী মোঃ মোখলেসুর রহমান ও তার ভাই জাহাঙ্গীর আলমকে। এসময় তাদের কাছ থেকে অভিযুক্তরা সঙ্গে থাকা ব্যবসার নগদ ২২ হাজার টাকা ও ৪০ হাজার টাকা দামি একটি ইনফিনিক্স এন্ড্রোয়েড মোবাইল ফোন পকেট থেকে নিয়া যায় অভিযুক্তরা। পরে তাদের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের খুন করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে আশেপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, ট্যাঙ্কলরীর সিরিয়াল দেওয়ার মত তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এক পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



























