০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংক প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করুন : এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / ৭৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি বলেছেন, ইসলামী ব্যাংককে প্রকৃত মালিকদের বাইরে অন্যদের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যাংকটি দেশের অন্যতম সেরা ও আস্থাভাজন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছিল।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংকটির মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার পর থেকেই অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ এবং অস্বাভাবিক ঋণ বিতরণের অভিযোগ সামনে আসে। এসব কারণে ব্যাংকটি আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে এবং এর স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিল্লাল হোসেন মিয়াজি আরও বলেন, বর্তমান কর্তৃপক্ষ ব্যাংকটিকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচিত অযাচিত হস্তক্ষেপ পরিহার করা।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত মালিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে ব্যাংকিং খাতকে আরও গতিশীল করা গেলে দেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বিতার পথে আরও এগিয়ে যাবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

ইসলামী ব্যাংক প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করুন : এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি বলেছেন, ইসলামী ব্যাংককে প্রকৃত মালিকদের বাইরে অন্যদের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যাংকটি দেশের অন্যতম সেরা ও আস্থাভাজন আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছিল।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংকটির মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার পর থেকেই অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ এবং অস্বাভাবিক ঋণ বিতরণের অভিযোগ সামনে আসে। এসব কারণে ব্যাংকটি আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে এবং এর স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিল্লাল হোসেন মিয়াজি আরও বলেন, বর্তমান কর্তৃপক্ষ ব্যাংকটিকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচিত অযাচিত হস্তক্ষেপ পরিহার করা।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত মালিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে ব্যাংকিং খাতকে আরও গতিশীল করা গেলে দেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বিতার পথে আরও এগিয়ে যাবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন