০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে ছোট ভাইদের পরিবারদের হয়রানির অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / ২৯

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাটখিল প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ছয়ানী টবগা রাজা মিয়া পন্ডিত বাড়ির মৃত গোলাম সারোয়ার এর বড় ছেলে মিজানুর রহমান (৫৫) ও তার ২য় স্ত্রী রোকসানা আক্তার (৩৮) এর বিরুদ্ধে ছোট ভাই রিয়াদ হোসেন এর পরিবার সহ অন্যান্য ভাইদের পরিবারের উপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ব্যাপারে রিয়াদ হোসেন প্রতিকার পাওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার বিকেলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মিজানুর রহমান ও তার ছোট ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রিয়াদ এর অনুপস্থিতিতে প্রায়ই রিয়াদের স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর বিভিন্ন সময়ে গালমন্দ, মারধর ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। যার একাধিক অভিযোগ থানায় রয়েছে। তাদের অত্যাচার নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত (২৪ মে) সকালে মিজান ও রোকসানা রিয়াদের স্ত্রীকে মারধর করে আহত করে। তখন বিথী আক্তার চাটখিল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে রোকসানা ক্ষিপ্ত হয়ে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করে। এ সময় রিয়াদ ঢাকায় ছিলেন। রোকসানার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিথির অভিযোগের থানায় সাধারণ ডায়েরী করে বিষয়টি আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এই অভিযোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রোকসানা পুনরায় গত ৩১ মে আরেকটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং অভিযোগের কপি সাংবাদিকদের দিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ্রপচার চালিয়ে তাদের হেনস্থা করে আসছে। তার এইসব নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রিয়াদ হোসেন গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন এবং একইদিন সন্ধ্যায় রিয়াদ হোসেন চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এইসব ঘটনা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আরো বলেন মিজানুর রহমান তাহার শ্যালিকা সহ একাধিক বিবাহ করে আমাদের পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন করে আসছে। এবং ভবিষ্যতে তাহার কর্তৃক আরো বড় ধরনের ক্ষতিসাধনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত রোকসানার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

বড় ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে ছোট ভাইদের পরিবারদের হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাটখিল প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ছয়ানী টবগা রাজা মিয়া পন্ডিত বাড়ির মৃত গোলাম সারোয়ার এর বড় ছেলে মিজানুর রহমান (৫৫) ও তার ২য় স্ত্রী রোকসানা আক্তার (৩৮) এর বিরুদ্ধে ছোট ভাই রিয়াদ হোসেন এর পরিবার সহ অন্যান্য ভাইদের পরিবারের উপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ব্যাপারে রিয়াদ হোসেন প্রতিকার পাওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার বিকেলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মিজানুর রহমান ও তার ছোট ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রিয়াদ এর অনুপস্থিতিতে প্রায়ই রিয়াদের স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর বিভিন্ন সময়ে গালমন্দ, মারধর ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। যার একাধিক অভিযোগ থানায় রয়েছে। তাদের অত্যাচার নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত (২৪ মে) সকালে মিজান ও রোকসানা রিয়াদের স্ত্রীকে মারধর করে আহত করে। তখন বিথী আক্তার চাটখিল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে রোকসানা ক্ষিপ্ত হয়ে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করে। এ সময় রিয়াদ ঢাকায় ছিলেন। রোকসানার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিথির অভিযোগের থানায় সাধারণ ডায়েরী করে বিষয়টি আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এই অভিযোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রোকসানা পুনরায় গত ৩১ মে আরেকটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে এবং অভিযোগের কপি সাংবাদিকদের দিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপ্রপচার চালিয়ে তাদের হেনস্থা করে আসছে। তার এইসব নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রিয়াদ হোসেন গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন এবং একইদিন সন্ধ্যায় রিয়াদ হোসেন চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এইসব ঘটনা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আরো বলেন মিজানুর রহমান তাহার শ্যালিকা সহ একাধিক বিবাহ করে আমাদের পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন করে আসছে। এবং ভবিষ্যতে তাহার কর্তৃক আরো বড় ধরনের ক্ষতিসাধনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত রোকসানার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন