০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

কচুয়ায় পরকীয়া প্রেম ও প্রতারণার অভিযোগ, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৭৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুবিদপুর মুন্সি বাড়ি এলাকায় পরকীয়া প্রেম, বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুবিদপুর এলাকার মনির হোসেনের মেয়ে, মামা ফয়েজউল্লা এবং সাইফুলের ভাগ্নি কুলসুমার সঙ্গে একই গ্রামের আবু ইউসুফের ছেলে সৌদি প্রবাসী আরিফ হোসাইনের ২০২৩ সাল থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে সম্পর্ক গভীর হলে আরিফ হোসাইন কুলসুমা কে ২ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিকে বিয়ে করে ।এরপরে বিয়ের ঘটনা জানাজানি হলে আরিফ তার প্রথম স্ত্রী নাইমাকে তালাক দিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ সালে ।

আরিফ ও তার প্রথম স্ত্রী নাইমার প্রায় ১২ বছরের সংসার ছিল। এ দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার বয়স ৯ বছর।

অভিযোগ রয়েছে, কুলসুমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলাকালীন সময় বিভিন্ন কৌশলে স্বর্ণালঙ্কার ৩ বরি সহ নগদ অর্থ ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে কচুয়া পৌরসভার এলাকায় হোমিও চিকিৎসক শরিফের বাড়িতে কুলসুমাকে আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা, আটক করে তাকে পরে তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সুবিদপুরের বিচারক কামরুল মিয়া দেওয়ার মুন্সী,খোকন মিয়া,ইসমাই ঘটনাস্থলে আসে। সবার সম্মুখে স্থানীয় কাজী হানিফ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছায় কুলসুমা ডিভোর্স দেন।

এ সময় আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাবার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল সংসার পরিচালনার জন্য, সেই টাকার বড় একটি অংশ কুলসুমাকে দেওয়া হয়। উপস্থিত লোকজনের সামনে কুলসুমা স্বেচ্ছায় ডিভোর্সের কাগজে স্বাক্ষর করেন বলে জানা যায়। তবে এরপরও আরিফের কাছ থেকে পুনরায় টাকা নেওয়া ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পরকীয়া সম্পর্কের তথ্য প্রেম বিয়ে সব কিছু মাধ্যম কুলসুমার বড় বোন ফাতেমা এবং রাসেল, এরকম ঘটনা আরে কয়েটি ছেলের সাথে ঘটিয়েছে তারা সকলে মিলে। আরিফে সাথে বিয়ের পর ও পূর্বে স্বামী আবুছিদ্দিক সক্ষতা রেখে আরিফের কাছে টাকা নেয়।এ ঘটনা আরফি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিকটকে দেখতে পায় তার পূর্বে স্বামির সাথে কুলসুমার ছবি।

এবিষয়ে মেয়ের নানি হালিমা বেগম তিনি বলেন, সে একজন খারাপ মেয়ে, তার সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
এ বিষয়ে কুলছুমা সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা বলেন, আমার ১২ বছরের সাজানো সংসার ভেঙে দিয়েছে কুলসুমা। সে আমার বাসায় ঝিয়ের কাজ করতো এবং আমাকে মামি বলে ডাকতো।

কুলসুমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে সৌদি প্রবাসী আরিফ হোসাইন অভিযোগ করে বলেন,কুলসুমা আমাকে কালো জাদু করে বশ করে বিয়ের ফাঁদে ফেলে। এরপর স্বর্ণালঙ্কার ৩ বরি সহ নগদ অর্থ ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বর্তমানে সে তার স্বামী আবু ছিদ্দিকের সঙ্গে সংসার করছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, কুলসুমা ও তার স্বামী আবুছিদ্দিক, বড় বোন ফাতেমা এবং রাসেল এরা সকলেই প্রতারক চক্রের সদস্য। এদের কারণে অনেক কারণে ফ্যামিলি জীবন বিনষ্ট হয়ে গেছে।

এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় সালিশা কয়েকবার দরবার বসিয়ে সেখান থেকে পলায়ন হয় পলায়ন করে।এই নিয়ে এলাকাবাসী মধ্যে খুব বিরাজ করছে। এর মত একজন জঘন্য মেয়ে কয়েকটি পরিবারের জীবন নষ্ট করে ফেলে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

কচুয়ায় পরকীয়া প্রেম ও প্রতারণার অভিযোগ, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সুবিদপুর মুন্সি বাড়ি এলাকায় পরকীয়া প্রেম, বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুবিদপুর এলাকার মনির হোসেনের মেয়ে, মামা ফয়েজউল্লা এবং সাইফুলের ভাগ্নি কুলসুমার সঙ্গে একই গ্রামের আবু ইউসুফের ছেলে সৌদি প্রবাসী আরিফ হোসাইনের ২০২৩ সাল থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে সম্পর্ক গভীর হলে আরিফ হোসাইন কুলসুমা কে ২ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিকে বিয়ে করে ।এরপরে বিয়ের ঘটনা জানাজানি হলে আরিফ তার প্রথম স্ত্রী নাইমাকে তালাক দিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ সালে ।

আরিফ ও তার প্রথম স্ত্রী নাইমার প্রায় ১২ বছরের সংসার ছিল। এ দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে, যার বয়স ৯ বছর।

অভিযোগ রয়েছে, কুলসুমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলাকালীন সময় বিভিন্ন কৌশলে স্বর্ণালঙ্কার ৩ বরি সহ নগদ অর্থ ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে কচুয়া পৌরসভার এলাকায় হোমিও চিকিৎসক শরিফের বাড়িতে কুলসুমাকে আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা, আটক করে তাকে পরে তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সুবিদপুরের বিচারক কামরুল মিয়া দেওয়ার মুন্সী,খোকন মিয়া,ইসমাই ঘটনাস্থলে আসে। সবার সম্মুখে স্থানীয় কাজী হানিফ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছায় কুলসুমা ডিভোর্স দেন।

এ সময় আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাবার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল সংসার পরিচালনার জন্য, সেই টাকার বড় একটি অংশ কুলসুমাকে দেওয়া হয়। উপস্থিত লোকজনের সামনে কুলসুমা স্বেচ্ছায় ডিভোর্সের কাগজে স্বাক্ষর করেন বলে জানা যায়। তবে এরপরও আরিফের কাছ থেকে পুনরায় টাকা নেওয়া ও বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় পরকীয়া সম্পর্কের তথ্য প্রেম বিয়ে সব কিছু মাধ্যম কুলসুমার বড় বোন ফাতেমা এবং রাসেল, এরকম ঘটনা আরে কয়েটি ছেলের সাথে ঘটিয়েছে তারা সকলে মিলে। আরিফে সাথে বিয়ের পর ও পূর্বে স্বামী আবুছিদ্দিক সক্ষতা রেখে আরিফের কাছে টাকা নেয়।এ ঘটনা আরফি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিকটকে দেখতে পায় তার পূর্বে স্বামির সাথে কুলসুমার ছবি।

এবিষয়ে মেয়ের নানি হালিমা বেগম তিনি বলেন, সে একজন খারাপ মেয়ে, তার সঙ্গে আমাদের কোনো যোগাযোগ নেই। এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
এ বিষয়ে কুলছুমা সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা বলেন, আমার ১২ বছরের সাজানো সংসার ভেঙে দিয়েছে কুলসুমা। সে আমার বাসায় ঝিয়ের কাজ করতো এবং আমাকে মামি বলে ডাকতো।

কুলসুমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে সৌদি প্রবাসী আরিফ হোসাইন অভিযোগ করে বলেন,কুলসুমা আমাকে কালো জাদু করে বশ করে বিয়ের ফাঁদে ফেলে। এরপর স্বর্ণালঙ্কার ৩ বরি সহ নগদ অর্থ ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। বর্তমানে সে তার স্বামী আবু ছিদ্দিকের সঙ্গে সংসার করছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, কুলসুমা ও তার স্বামী আবুছিদ্দিক, বড় বোন ফাতেমা এবং রাসেল এরা সকলেই প্রতারক চক্রের সদস্য। এদের কারণে অনেক কারণে ফ্যামিলি জীবন বিনষ্ট হয়ে গেছে।

এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় সালিশা কয়েকবার দরবার বসিয়ে সেখান থেকে পলায়ন হয় পলায়ন করে।এই নিয়ে এলাকাবাসী মধ্যে খুব বিরাজ করছে। এর মত একজন জঘন্য মেয়ে কয়েকটি পরিবারের জীবন নষ্ট করে ফেলে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আরিফের প্রথম স্ত্রী নাইমা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন