০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো হয় এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না, এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে মাদ্রাসার দানবাক্স ভাঙার সময় তাকে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করছেন এবং এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলি। পরে মারধর না করে মাদ্রাসার হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার জন্য উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু এখানে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।

মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী জানায়, আমরা মনে করি শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। তাই তাকে শারীরিক শাস্তি না দিয়ে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার করেছে এবং আর কখনো চুরি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এজন্য আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

চোরকে নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো হয় এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না, এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে মাদ্রাসার দানবাক্স ভাঙার সময় তাকে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এই মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করছেন এবং এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলি। পরে মারধর না করে মাদ্রাসার হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার জন্য উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করে।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু এখানে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।

মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী জানায়, আমরা মনে করি শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। তাই তাকে শারীরিক শাস্তি না দিয়ে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার করেছে এবং আর কখনো চুরি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এজন্য আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন