১২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

পাকিস্তানিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে আমিরাত

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮০

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) পাকিস্তানিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার,২৭ নভেম্বর সিনেটের মানবাধিকার কার্যকরী কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছেন পাকিস্তানের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব সালমান চৌধুরী।

পাকিস্তান ও আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কে যুক্ত। মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি প্রবাসীর কারণে রেমিট্যান্সের বড় উৎস হলো ইউএই।

কমিটির বৈঠকে সালমান চৌধুরী বলেন, সৌদি আরব ও আমিরাত দুটি দেশই এখনো পাকিস্তানি পাসপোর্টের ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি, তবে তারা একেবারে নিষেধাজ্ঞার সীমা পর্যন্ত গিয়ে থেমে আছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, পরে তা তুলে নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ইউএই শুধু নীল (অফিশিয়াল) এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা দিচ্ছে।

এদিকে সিনেট মানবাধিকার কমিটির প্রধান সামিনা মুমতাজ জেহরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক পাকিস্তানি ইউএই গিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে—এ ধরনের উদ্বেগ থেকেই এই বিধিনিষেধ।’

কমিটিকে জানানো হয়, ‘ইউএই সাধারণ পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা দিচ্ছে না এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খুব অল্পসংখ্যক ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।’

তবে আমিরাতের দূতাবাসের এক সিনিয়র কূটনীতিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো সম্পূর্ণ ভিসা নিষেধের গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন। ডনকে তিনি বলেন, পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

পাকিস্তানিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে আমিরাত

আপডেট সময় : ১১:৪২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) পাকিস্তানিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার,২৭ নভেম্বর সিনেটের মানবাধিকার কার্যকরী কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছেন পাকিস্তানের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব সালমান চৌধুরী।

পাকিস্তান ও আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কে যুক্ত। মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি প্রবাসীর কারণে রেমিট্যান্সের বড় উৎস হলো ইউএই।

কমিটির বৈঠকে সালমান চৌধুরী বলেন, সৌদি আরব ও আমিরাত দুটি দেশই এখনো পাকিস্তানি পাসপোর্টের ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি, তবে তারা একেবারে নিষেধাজ্ঞার সীমা পর্যন্ত গিয়ে থেমে আছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, পরে তা তুলে নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ইউএই শুধু নীল (অফিশিয়াল) এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা দিচ্ছে।

এদিকে সিনেট মানবাধিকার কমিটির প্রধান সামিনা মুমতাজ জেহরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক পাকিস্তানি ইউএই গিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হচ্ছে—এ ধরনের উদ্বেগ থেকেই এই বিধিনিষেধ।’

কমিটিকে জানানো হয়, ‘ইউএই সাধারণ পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা দিচ্ছে না এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খুব অল্পসংখ্যক ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।’

তবে আমিরাতের দূতাবাসের এক সিনিয়র কূটনীতিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো সম্পূর্ণ ভিসা নিষেধের গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন। ডনকে তিনি বলেন, পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন