০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২৯

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক নাবালিকা কিশোরীকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর একদিন পেরিয়ে গেলেও কিশোরীর কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর মা রুনা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অপহৃত সাদিয়া আক্তার (১৫) সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। পূর্ব কান্দারগাঁও এলাকার মো. অহিদ হোসেনের ছেলে মো. সাফায়েত (২১) দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সাদিয়াকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে সাফায়েতের বাবা মো. অহিদ হোসেন (৪৫) ও মা শারমিন আক্তারকে (৩৮) জানিয়ে বিচার চাওয়া হলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি করেছেন কিশোরীর মা।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে সাদিয়া বাড়ি থেকে মুড়ি-চানাচুর কিনতে দোকানে যাওয়ার পথে চিলারবাগ এলাকায় তাদের বসতবাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে অভিযুক্ত সাফায়েতসহ অন্যরা তাকে জোরপূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কিশোরীর কোনো সন্ধান পাননি। নাবালিকা মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারটি এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. সাফায়েত, তার বাবা মো. অহিদ হোসেন, মা শারমিন আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এবিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পরিবারের দাবি, দ্রুত অপহৃত কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক নাবালিকা কিশোরীকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর একদিন পেরিয়ে গেলেও কিশোরীর কোনো সন্ধান না মেলায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর মা রুনা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অপহৃত সাদিয়া আক্তার (১৫) সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। পূর্ব কান্দারগাঁও এলাকার মো. অহিদ হোসেনের ছেলে মো. সাফায়েত (২১) দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সাদিয়াকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে সাফায়েতের বাবা মো. অহিদ হোসেন (৪৫) ও মা শারমিন আক্তারকে (৩৮) জানিয়ে বিচার চাওয়া হলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি করেছেন কিশোরীর মা।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে সাদিয়া বাড়ি থেকে মুড়ি-চানাচুর কিনতে দোকানে যাওয়ার পথে চিলারবাগ এলাকায় তাদের বসতবাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে অভিযুক্ত সাফায়েতসহ অন্যরা তাকে জোরপূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কিশোরীর কোনো সন্ধান পাননি। নাবালিকা মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারটি এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই তাকে অপহরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো. সাফায়েত, তার বাবা মো. অহিদ হোসেন, মা শারমিন আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এবিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পরিবারের দাবি, দ্রুত অপহৃত কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।