০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে ভুয়া ফেসবুক আইডির কবলে মৎস্যজীবী দল নেতা জনি, অপপ্রচারের অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মৎস্যজীবী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জনি পাঠানকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” নামে একাধিক নামসর্বস্ব ও সন্দেহভাজন ফেসবুক আইডি থেকে তাকে জড়িয়ে “আওয়ামী লীগের দোসর সামাদ বেপারীর ব্যবসায়িক পার্টনার” সংক্রান্ত সহ বিভিন্ন ভিত্তিহীন পোস্ট দেওয়া হয়। এসব পোস্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মো. মৎস্যজীবী দলের নেতা জনি পাঠান।

জনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি সবসময় আমার দলের নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করি। যারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের সত্য প্রকাশের সাহস না থাকলে অন্যের বিরুদ্ধে এভাবে হীন ষড়যন্ত্র করা অনুচিত।’ আমার বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সম্মানহানি ও বিভ্রান্তি ছড়াতে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, আমি ২০১২ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। “আমি বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে থেকেছি, পালিয়ে যাইনি। সুতরাং এসব গুজব ছড়িয়ে আমার রাজনৈতিক ও পারিবারিক সুনাম নষ্ট করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হীন মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।”

সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন মহল থেকে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরেই ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” সহ একাধিক নামসর্বস্ব ও ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী ব্যক্তিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

এই চক্রের সদস্যরা প্রায়ই বিভ্রান্তিকর পোস্টে এডিট করা ছবি ব্যবহার করে। এমনকি চাহিদামতো অর্থের বিনিময়ে পূর্বের পোস্ট মুছে দেওয়ারও প্রস্তাব দেয় বলে একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, ‘আমার নামে ভুয়া একটি ফেসবুক আইডি খুলে আওয়ামী লীগের ব্যানারে ছবি দিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” এই ভূয়া ফেজবুক আইডি দিয়ে বিএনপি নেতাদেরকে আওয়ামীলীগের দোসর এবং আওয়ামীলীগের নেতাদেরকে বিএনপির সহযোগী নেতা বানিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আমি যোগাযোগের চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তি বিকাশ নম্বর চেয়ে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে পোস্ট মুছে না ফেলার হুমকি দেয় এবং পরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।’

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এসব ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এতে শুধু ব্যক্তি নয়, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মো. জনি পাঠান এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘এই চক্রের বিরুদ্ধে আমি প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা গ্রহণ করব। পাশাপাশি সকলকে অনুরোধ করছি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও তথ্য যাচাই-বাছাই না করে বিশ্বাস না করতে।’

সিদ্ধিরগঞ্জে ভুয়া ফেসবুক আইডির কবলে মৎস্যজীবী দল নেতা জনি, অপপ্রচারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মৎস্যজীবী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জনি পাঠানকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে একটি অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” নামে একাধিক নামসর্বস্ব ও সন্দেহভাজন ফেসবুক আইডি থেকে তাকে জড়িয়ে “আওয়ামী লীগের দোসর সামাদ বেপারীর ব্যবসায়িক পার্টনার” সংক্রান্ত সহ বিভিন্ন ভিত্তিহীন পোস্ট দেওয়া হয়। এসব পোস্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মো. মৎস্যজীবী দলের নেতা জনি পাঠান।

জনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি সবসময় আমার দলের নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে উৎসাহিত করি। যারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের সত্য প্রকাশের সাহস না থাকলে অন্যের বিরুদ্ধে এভাবে হীন ষড়যন্ত্র করা অনুচিত।’ আমার বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সম্মানহানি ও বিভ্রান্তি ছড়াতে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, আমি ২০১২ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। “আমি বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথে থেকেছি, পালিয়ে যাইনি। সুতরাং এসব গুজব ছড়িয়ে আমার রাজনৈতিক ও পারিবারিক সুনাম নষ্ট করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হীন মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।”

সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন মহল থেকে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরেই ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” সহ একাধিক নামসর্বস্ব ও ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী ব্যক্তিদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

এই চক্রের সদস্যরা প্রায়ই বিভ্রান্তিকর পোস্টে এডিট করা ছবি ব্যবহার করে। এমনকি চাহিদামতো অর্থের বিনিময়ে পূর্বের পোস্ট মুছে দেওয়ারও প্রস্তাব দেয় বলে একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, ‘আমার নামে ভুয়া একটি ফেসবুক আইডি খুলে আওয়ামী লীগের ব্যানারে ছবি দিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। ‘‘নারায়ণগঞ্জ যুবদল” ও “নারায়ণগঞ্জ অর্থের বিনিময়ে জাতীয়তাবাদী” এই ভূয়া ফেজবুক আইডি দিয়ে বিএনপি নেতাদেরকে আওয়ামীলীগের দোসর এবং আওয়ামীলীগের নেতাদেরকে বিএনপির সহযোগী নেতা বানিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আমি যোগাযোগের চেষ্টা করলে ওই ব্যক্তি বিকাশ নম্বর চেয়ে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে পোস্ট মুছে না ফেলার হুমকি দেয় এবং পরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।’

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এসব ভুয়া আইডির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এতে শুধু ব্যক্তি নয়, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মো. জনি পাঠান এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘এই চক্রের বিরুদ্ধে আমি প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা গ্রহণ করব। পাশাপাশি সকলকে অনুরোধ করছি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও তথ্য যাচাই-বাছাই না করে বিশ্বাস না করতে।’