০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

সোনারগাঁও উপজেলায় মাছ-মুরগি-ডিমের চড়া দামে নাকাল নিম্নও মধ্যবিত্তরা

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪২

মাজহারুল রাসেল :

সোনারগাঁও উপজেলার বাজার গুলোতে মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দামে চাপে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা।

ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, ডিমের ডজন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা এবং অধিকাংশ মাছ ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

আজ শনিবার উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি মুরগি ৩৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিমের ডজন ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।মাছের মধ্যে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা।

মোগরাপাড়া কাঁচা বাজারের ক্রেতা সোহেল আরমান রনি বলেন, ২৫০ টাকার নিচে ভালো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। আয় না বাড়লেও প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাজার খরচ। এ অবস্থায় মধ্যবিত্তের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন,কয়েক দিন ধরে মাছ-মুরগির দামে বড় পরিবর্তন হয়নি। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপণ্যের চড়া দামে প্রতিদিনই বাড়ছে তাদের ব্যয়ের চাপ।

 

সোনারগাঁও উপজেলায় মাছ-মুরগি-ডিমের চড়া দামে নাকাল নিম্নও মধ্যবিত্তরা

আপডেট সময় : ০৬:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

মাজহারুল রাসেল :

সোনারগাঁও উপজেলার বাজার গুলোতে মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দামে চাপে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা।

ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, ডিমের ডজন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা এবং অধিকাংশ মাছ ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

আজ শনিবার উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি মুরগি ৩৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিমের ডজন ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।মাছের মধ্যে তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪৫০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা।

মোগরাপাড়া কাঁচা বাজারের ক্রেতা সোহেল আরমান রনি বলেন, ২৫০ টাকার নিচে ভালো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। আয় না বাড়লেও প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাজার খরচ। এ অবস্থায় মধ্যবিত্তের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন,কয়েক দিন ধরে মাছ-মুরগির দামে বড় পরিবর্তন হয়নি। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপণ্যের চড়া দামে প্রতিদিনই বাড়ছে তাদের ব্যয়ের চাপ।