০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসে অভিযানে আবৈধ গ্যাস দিনে বিচ্ছিন্ন রাতেই সংযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
  • / ২১১

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দিনে অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস গ্যাস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। আবার রাতে সংযোগ দিয়ে দেয় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারিরা। তিতাস আর অবৈধ গ্যাস ব্যবহার কারিদের মধ্যে এমন ঈঁদুর বিড়াল খেলা চলছে দীর্ঘদিন করে। এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

বোববার (১৯ মে) মিজমিজি মতির সড়ক এলাকায় দুপুর ১ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত তিনটি মশার কয়েল কারখানা অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিতাসের নারায়ণগঞ্জ সদরের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোস্তাক মাসুদ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আইনের দুর্বলতার কারণে অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রতিহত করা যাচ্ছে না।
অভিযানে বসুন্ধরা কয়েল কারখানা মালিক জাহাঙ্গীরকে ১ লাখ টাকা ও ডিকে কয়েল কারখানা মালিক আলমকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাগলা কয়েল কারখানার মালিক কামাল পালিয়ে যাওয়া তাকে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। তবে কারখানার মালামাল জব্দ করা হয়। এ সময় তিনটি কারখানার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলুরা ইয়াছমিন।


স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, এর আগেও ওই তিনটি কারখানায় ৬ বার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও আবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল তিতাত কর্তৃপক্ষ। দিনে তিতাসের লোকজন অভিযান চালিয়ে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে যাওয়ার পর রাতে আবার কারখানা মালিকরা সংযোগ দিয়ে দেয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না বলে তিনি মনে করেন। কারণ, অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট চলে যাওয়ার পর কারখানা থেকে জব্দ করা নয়টি মোটর ও বিভিন্ন মালামাল ফেরত দিয়েছে তিতাসের লোকজন। এর পরই ফের সংযোগ দেওয়ার প্রস্ততি চলছে বলে জানান রফিকুল ইসলাম। মালামাল ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিতাস কর্মকর্তা মোস্তাক মাসুদ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, মালামাল কাকে ফেরত দিব আর কাকে দিবনা এসব সিদ্ধান্ত আমরা নেব। এটি ম্যাজিস্ট্রের কাজ নয়। বারবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও আবার সংযোগ দেওয়ার পর কেন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে করা আইন দুর্বল।
আইনের দুর্বলতার কারণে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারছিনা। তাই অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ন্ত্রন বা প্রতিহত ক%E


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসে অভিযানে আবৈধ গ্যাস দিনে বিচ্ছিন্ন রাতেই সংযোগ

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দিনে অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস গ্যাস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। আবার রাতে সংযোগ দিয়ে দেয় অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারিরা। তিতাস আর অবৈধ গ্যাস ব্যবহার কারিদের মধ্যে এমন ঈঁদুর বিড়াল খেলা চলছে দীর্ঘদিন করে। এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

বোববার (১৯ মে) মিজমিজি মতির সড়ক এলাকায় দুপুর ১ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত তিনটি মশার কয়েল কারখানা অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিতাসের নারায়ণগঞ্জ সদরের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোস্তাক মাসুদ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আইনের দুর্বলতার কারণে অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রতিহত করা যাচ্ছে না।
অভিযানে বসুন্ধরা কয়েল কারখানা মালিক জাহাঙ্গীরকে ১ লাখ টাকা ও ডিকে কয়েল কারখানা মালিক আলমকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাগলা কয়েল কারখানার মালিক কামাল পালিয়ে যাওয়া তাকে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। তবে কারখানার মালামাল জব্দ করা হয়। এ সময় তিনটি কারখানার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলুরা ইয়াছমিন।


স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, এর আগেও ওই তিনটি কারখানায় ৬ বার অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও আবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল তিতাত কর্তৃপক্ষ। দিনে তিতাসের লোকজন অভিযান চালিয়ে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে যাওয়ার পর রাতে আবার কারখানা মালিকরা সংযোগ দিয়ে দেয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হবে না বলে তিনি মনে করেন। কারণ, অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট চলে যাওয়ার পর কারখানা থেকে জব্দ করা নয়টি মোটর ও বিভিন্ন মালামাল ফেরত দিয়েছে তিতাসের লোকজন। এর পরই ফের সংযোগ দেওয়ার প্রস্ততি চলছে বলে জানান রফিকুল ইসলাম। মালামাল ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিতাস কর্মকর্তা মোস্তাক মাসুদ মোহাম্মদ ইমরান বলেন, মালামাল কাকে ফেরত দিব আর কাকে দিবনা এসব সিদ্ধান্ত আমরা নেব। এটি ম্যাজিস্ট্রের কাজ নয়। বারবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও আবার সংযোগ দেওয়ার পর কেন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে করা আইন দুর্বল।
আইনের দুর্বলতার কারণে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারছিনা। তাই অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ন্ত্রন বা প্রতিহত ক%E


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন