সিদ্ধিরগঞ্জে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ভাংচুর লুটপাট, আহত-৬
- আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
- / ৪১৯

প্রতিদিনের নিউজ:
সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ বিষয়ের জের ধরে দুইন গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের দুটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট চালিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী সোহেল ও জুয়েল বাহিনী। উভয় গ্রুপের আহত হয়েছে অন্তত ৬ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার রোড ওমরপুর এলাকায় সোমবার (১৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে এঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত ১২ আগস্ট গাড়ির সাইট দেওয়া না দেওয়া নিয়ে ওমরপুর এলাকার রাজিবের সাথে বাকবিতন্ডা হয় একই এলাকার মৃত নূর উদ্দিন মেম্বারের ছেলে সোহেল ও জুয়েলের। এর জের ধরে সোমবার দুপুরে দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সোহেল ও জুয়েলের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক রাজিব ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। এসময় রাজিবের ছোট ভাইয়ের ইলমা খাতুন নিউ ফ্যাশন ও আত্নীয় সায়মুন স্টোর মুদি দোকানে লুটপাট ও ব্যপক ভাংচুর চালায়। মারধর করা হয় দোকান মালিক মিলন হোসেন, সোহেলকে। এ খবর পেয়ে রাজিবের লোকজন ছুটে আসলে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া।
রাজিবের অভিযোগ, সোহেল ও তার ভাই জুয়েলের নেতৃত্বে তানভীর, সজলসহ অর্ধশতাধিক লোক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাদের হামলায় রাজিবসহ ৪ জন আহত হয়। হামলাকারিরা সায়মুন স্টোর মুদি দোকানের ক্যাশ লুট করে। নিয়ে যায় অনেক মালামাল।
হামলার কারণ জানতে সোহেল ও জুয়েলকে পাওয়া না গেলেও স্থানীয়রা জানায়, গত ১২ আগ্স্ট সোহেল ও জুয়েল প্রাইভেটকার দিয়ে যাওয়ার সময় ওমরপুর মোড়ে রাজিবের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এসময় রাজিব মোটরসাইকেল দিয়ে যাচ্ছিল। কেউ কাউকে সাইট না দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে এবিভেদ সৃষ্টি হয়। গত ১৩ আগস্ট আদমজী বিহারী কলোনি এলাকায় মাদক সেবন করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয় জুয়েল। এঘটনার পিছনে রাজিবের হাত রয়েছে সন্দেহ করা হয়। ওই সন্দেহ থেকেই প্রতিশোধ নিতে রাজিবের উপর হামলা করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানায়, সোহেল ও জুয়েল দুই ভাই মাদকাসক্ত। তারা সপরিবারে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে। রাস্তায় বসে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কয়েকদিন আগে জুয়েল এলাকার একজন নিরীহ লোককে মারধর করেছে। তাদের এসব কর্মকান্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ট।
ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক হুমায়ূন কবির-২ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে হামলাকারী কাউকে পাইনি। তবে দুইটি দোকান ভাংচুর ও বহু লোকজনের ভির দেখতে পাই। প্রাথমিকভাবে জানতে পারি ১৩ আগস্ট জুয়েল নামে একজনকে রাজিবের লোকজন আদমজী এলাকায় মারধর করেছিল। এর জের ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এঘটনায় থানায় অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



























