কচুয়া সিটি হসপিটালে অভিযান: ইয়াবাসহ চিকিৎসক গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১২:৪৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
- / ২০

মো: রাছেল,কচুয়া(চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে ৪ পিস ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ ডা. সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানী নামের এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় কচুয়া সিটি হসপিটালের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া সিটি হসপিটাল এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।
চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একদল চৌকস টীম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কক্ষে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার রুম থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। পরে তাকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কচুয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, কচুয়া সিটি হসপিটালের ডা. সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানি দীর্ঘদিন যাবত মাদকের সাথে সম্পর্কিত, সে নিজে মাদক সেবন করে এই তথ্যের ভিত্তিতে আজকে আমরা এখানে অভিযান করি।
অভিযানের পরবর্তী সময়ে উনার নিজের বসবাসের যে রুম (এই প্রতিষ্ঠানের তিন তলা হতে) আমরা ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি এবং চার পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হই এবং ইয়াবার ব্যবহৃত যত ধরনের উপকরন এবং সেবনের যত ধরনের উপকরন, সমস্ত কিছু-ই আমরা জব্দ করতে সক্ষম হই। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো চিকিৎসক যাতে এ ধরনের মাদকের সাথে সম্পর্ক না থাকে, যাতে আমাদের এই সাধারণ মানুষ যারা আমরা চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকি, আমরা যাতে সঠিক সেবা পেয়ে থাকি। আমরা যাতে অবশ্যই চিকিৎসা সেবার প্রতিষ্ঠানগুলো, বেসরকারি যে হসপিটালগুলো রয়েছে, আমি সকল মালিকদেরকে আহ্বান করবো, আপনারা চিকিৎসক নিয়োগের ক্ষেত্রে আপনারা আরও সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান, এএসআই মো. তোফায়েল আহমেদ, বেলায়েত হোসেনসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য সদস্যরা।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের ও আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
উল্লেখ্য যে, তার বিরুদ্ধে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ এনেস্থেসিয়া প্রদান এবং যৌন হয়রানি, ইভটিজিং ও অপপ্রচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ।



















