০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

মেঘনায় মালবাহী ট্রলার থেকে ২ লাখ মিটার মশারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৯

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মমিনুল ইসলাম:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষণে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বাহাদুরপুর ও মোহনপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। বাহাদুরপুর এলাকায় মালবাহী একটি ট্রলার তল্লাশি করে ২ লাখ মিটার অবৈধ মশারী জাল উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে মোহনপুর এলাকা থেকে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত সব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস। মাঠ পর্যায়ে সহায়তা করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মোহনপুর আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম আনোয়ারুল হক।
মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, মশারী জাল এবং কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এগুলো জাটকা ছাড়াও অন্যান্য ছোট মাছ ও মাছের বংশবিস্তারে মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই আমরা নদী ও খালের পাশাপাশি স্থলপথেও নজরদারি বাড়িয়েছি। এই অভিযানের মাধ্যমে জাটকা নিধন প্রতিরোধে বড় সাফল্য পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান জাটকা সংরক্ষণ অভিযানকে আরও কঠোর করা হয়েছে। জাটকা ধরা, পরিবহন বা বিক্রি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইলিশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মৎস্য বিভাগ জানায়, নদীপথে মশারী জাল ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

মেঘনায় মালবাহী ট্রলার থেকে ২ লাখ মিটার মশারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মমিনুল ইসলাম:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষণে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বাহাদুরপুর ও মোহনপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। বাহাদুরপুর এলাকায় মালবাহী একটি ট্রলার তল্লাশি করে ২ লাখ মিটার অবৈধ মশারী জাল উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে মোহনপুর এলাকা থেকে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত সব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস। মাঠ পর্যায়ে সহায়তা করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মোহনপুর আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম আনোয়ারুল হক।
মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, মশারী জাল এবং কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এগুলো জাটকা ছাড়াও অন্যান্য ছোট মাছ ও মাছের বংশবিস্তারে মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই আমরা নদী ও খালের পাশাপাশি স্থলপথেও নজরদারি বাড়িয়েছি। এই অভিযানের মাধ্যমে জাটকা নিধন প্রতিরোধে বড় সাফল্য পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান জাটকা সংরক্ষণ অভিযানকে আরও কঠোর করা হয়েছে। জাটকা ধরা, পরিবহন বা বিক্রি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইলিশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মৎস্য বিভাগ জানায়, নদীপথে মশারী জাল ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন