নুরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি
- আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
- / ২৭

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ নুরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাঁর পরিবার। সোমবার (৮ জুন) সকালে ডাকবাংলো আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখে নুরুল ইসলাম নিখোঁজ হন। পরদিন ৩০ মে শনিবার বিকেলে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রবিবার দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর সোমবার কচুয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছেলে ছানাউল্লাহ বলেন, আমরা প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে আসছি। কিন্তু আল্টিমেটামের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি না। আমরা চাই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদঘাটন হোক এবং প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক।
তিনি আরও বলেন, নুরুল ইসলাম শুধু একজন ব্যবসায়ীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন কচুয়া বাজারের ব্যবসায়ী সমাজের একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁর নির্মম হত্যাকাণ্ডে ব্যবসায়ী সমাজসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি তারিকুল ইসলাম এবং কচুয়া জামেয়া আহমেদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মোঃ আবু হানিফ। বক্তারা বলেন, এমন একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে মানুষের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসনের প্রতি চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য দ্রুত উদঘাটন, জড়িত সকল আসামির অবিলম্বে গ্রেপ্তার, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
বক্তারা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখেন। তবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তদন্তের অগ্রগতি দ্রুত দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় ব্যবসায়ী সমাজ ও পরিবারবর্গ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্য, স্বজন, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


























