০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেকারী পুড়ে ছাই—অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬১

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মো. রাছেল:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার উত্তর শিবপুর বাজারে নাজমুল বেকারীতে ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত মালিক।

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বেকারীর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন ২ ভাই—আবুল হোসেন ও নেছার উদ্দিন। কচুয়া ছাড়াও মতলব দক্ষিণসহ বিভিন্ন উপজেলায় তাদের পণ্য সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিনের স্বপ্নের এই বেকারী মুহূর্তেই আগুনে পুড়ে যায়, নিঃস্ব হয়ে পড়েন দুই ভাই এবং তাদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করা প্রায় ২০–২৫ জন কর্মচারী।

ক্ষতিগ্রস্ত মালিক আবুল হোসেন ও নেছার উদ্দিন জানান—কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বুঝে উঠতে পারছি না। মেশিনপত্র, কাগজপত্র, মালামালসহ সবকিছু একেবারে শেষ। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সবকিছু আগুনে ছাই হয়ে গেল। আমরা এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব।

দোকানের কর্মচারীরা বলেন, ভোরে হঠাৎ আগুন দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। কোনোমতে প্রাণ বাঁচিয়ে বের হতে পারলেও চোখের সামনে পুড়ে যায় পুরো বেকারী। আমরা এখানে কাজ করতাম, এখন পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।

কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মাহাতাব মন্ডল বলেন—খবর পেয়ে যাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

হঠাৎ এই আগুনে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার মূল্যবান মেশিন, কাঁচামাল, কাগজপত্র ও বেকারির সব সরঞ্জাম পুড়ে যায়। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে গভীর সংকটে পড়েছেন দুই ভাইসহ বেকারির সকল কর্মচারী।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেকারী পুড়ে ছাই—অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মো. রাছেল:

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার উত্তর শিবপুর বাজারে নাজমুল বেকারীতে ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত মালিক।

দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বেকারীর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন ২ ভাই—আবুল হোসেন ও নেছার উদ্দিন। কচুয়া ছাড়াও মতলব দক্ষিণসহ বিভিন্ন উপজেলায় তাদের পণ্য সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিনের স্বপ্নের এই বেকারী মুহূর্তেই আগুনে পুড়ে যায়, নিঃস্ব হয়ে পড়েন দুই ভাই এবং তাদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করা প্রায় ২০–২৫ জন কর্মচারী।

ক্ষতিগ্রস্ত মালিক আবুল হোসেন ও নেছার উদ্দিন জানান—কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বুঝে উঠতে পারছি না। মেশিনপত্র, কাগজপত্র, মালামালসহ সবকিছু একেবারে শেষ। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সবকিছু আগুনে ছাই হয়ে গেল। আমরা এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব।

দোকানের কর্মচারীরা বলেন, ভোরে হঠাৎ আগুন দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। কোনোমতে প্রাণ বাঁচিয়ে বের হতে পারলেও চোখের সামনে পুড়ে যায় পুরো বেকারী। আমরা এখানে কাজ করতাম, এখন পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।

কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মাহাতাব মন্ডল বলেন—খবর পেয়ে যাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

হঠাৎ এই আগুনে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার মূল্যবান মেশিন, কাঁচামাল, কাগজপত্র ও বেকারির সব সরঞ্জাম পুড়ে যায়। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে গভীর সংকটে পড়েছেন দুই ভাইসহ বেকারির সকল কর্মচারী।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন