০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

জাতীয় ফল মেলা মানেই শুধু প্রদর্শনী নয়—এটা একটা বার্তা : ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি

মমিনুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / ২৩৪

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“দেশী ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই” এই স্লোগানে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় জাতীয় ফল মেলা ২০২৫ শুরু হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে, উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে জাতীয় ফল মেলা ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, “জাতীয় ফল মেলা মানেই শুধু প্রদর্শনী নয়—এটা একটা বার্তা। পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়তে হলে আমাদের প্রতিটি বাড়িতে ফলজ গাছ থাকা প্রয়োজন। দেশীয় ফল আমাদের পুষ্টির অন্যতম উৎস। শিশু-কিশোরদের ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে পরিবার থেকেই। একই সঙ্গে সবাইকে নিজ নিজ আঙিনায় অন্তত একটি করে ফলজ গাছ রোপণের আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তি নির্ভর কৃষির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা যদি ফল উৎপাদন বাড়াতে পারি, তাহলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এই আয়োজনের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই।”

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমাদের দেশীয় ফল যেমন পুষ্টিকর, তেমনই বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। এই ফল মেলার উদ্দেশ্য শুধু প্রদর্শনী নয়, বরং মানুষকে উৎসাহিত করা—নিজের আঙিনায় ফলের গাছ লাগাতে, আর পতিত জমিকে কাজে লাগাতে।
সরকার কৃষির উন্নয়নে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, চারা বিতরণ ও পরামর্শ সেবা চলমান রয়েছে। এ মেলার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি ও জাতের সঙ্গে চাষিদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “বছরের বিভিন্ন সময়ে যে ফল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আমাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ সম্ভব। তাই দেশীয় ফলের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি তার সঠিক বিপণনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

মেলার স্টলে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত আম, লিচু, জামরুল, আনারস, পেয়ারা, কাঁঠাল, করমজা, জলপাইসহ নানা ধরনের দেশীয় ফল স্থান পায়। দর্শনার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

জাতীয় ফল মেলা মানেই শুধু প্রদর্শনী নয়—এটা একটা বার্তা : ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“দেশী ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই” এই স্লোগানে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় জাতীয় ফল মেলা ২০২৫ শুরু হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে, উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমা।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে জাতীয় ফল মেলা ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, “জাতীয় ফল মেলা মানেই শুধু প্রদর্শনী নয়—এটা একটা বার্তা। পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়তে হলে আমাদের প্রতিটি বাড়িতে ফলজ গাছ থাকা প্রয়োজন। দেশীয় ফল আমাদের পুষ্টির অন্যতম উৎস। শিশু-কিশোরদের ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে পরিবার থেকেই। একই সঙ্গে সবাইকে নিজ নিজ আঙিনায় অন্তত একটি করে ফলজ গাছ রোপণের আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তি নির্ভর কৃষির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা যদি ফল উৎপাদন বাড়াতে পারি, তাহলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এই আয়োজনের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই।”

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমাদের দেশীয় ফল যেমন পুষ্টিকর, তেমনই বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। এই ফল মেলার উদ্দেশ্য শুধু প্রদর্শনী নয়, বরং মানুষকে উৎসাহিত করা—নিজের আঙিনায় ফলের গাছ লাগাতে, আর পতিত জমিকে কাজে লাগাতে।
সরকার কৃষির উন্নয়নে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, চারা বিতরণ ও পরামর্শ সেবা চলমান রয়েছে। এ মেলার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি ও জাতের সঙ্গে চাষিদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “বছরের বিভিন্ন সময়ে যে ফল পাওয়া যায়, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আমাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ সম্ভব। তাই দেশীয় ফলের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি তার সঠিক বিপণনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

মেলার স্টলে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত আম, লিচু, জামরুল, আনারস, পেয়ারা, কাঁঠাল, করমজা, জলপাইসহ নানা ধরনের দেশীয় ফল স্থান পায়। দর্শনার্থীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন