০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝিকরগাছায় টেকসই ও বৈষম্যহীন মাগুরা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়: চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪২

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ২নং মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী। সেবা, সততা ও উন্নয়নের পথে সবসময় আপনার পাশে এবং সবার জন্য সম-উন্নয়ন, একটি সমৃদ্ধ মাগুরা এই মূলনীতিকে সামনে রেখে তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। তাঁর এই প্রার্থিতা ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির ফলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী একজন পেশাদার শিক্ষাবিদ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গ্রামীণ সমাজকে খুব কাছ থেকে দেখা এই মানুষটি অনুধাবন করেছেন যে, একটি এলাকার টেকসই অগ্রগতির জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সব ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান। তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে কেবল দৃশ্যমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।

নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী বলেন, উপজেলার ২নং মাগুরা ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিক যেন কোনো প্রকার বৈষম্য ও হয়রানি ছাড়াই তাদের ন্যায্য নাগরিক অধিকার ফিরে পান, সেটাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি এমন একটি দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ উপহার দিতে চাই, যেখানে সুশাসন ও জবাবদিহিতা থাকবে শতভাগ।
তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের সংযোগ সড়কগুলোকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ বা মেরামতের মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও খুব সহজে চিকিৎসাসেবা ও বাজার ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হতে পারবে, যা অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে বড় ভূমিকা রাখবে। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিশুদ্ধ পানি ও আধুনিক স্যানিটেশন থেকে গ্রামীণ জনপদের মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়, সেটির ওপরও তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি একটি সুস্থ ও রোগমুক্ত ইউনিয়ন উপহার দিতে চান। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে কৃষকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের ভাগ্যোন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনা অত্যন্ত আধুনিক। কৃষকদের সার, বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অতীতে হওয়া বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতি দূর করে প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে সহায়তা এবং বেকার যুবকদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এতে করে প্রান্তিক কৃষকেরা তাঁদের শ্রমের সঠিক মূল্য পাবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন গতিশীলতা আসবে। একজন প্রবীণ শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার গুরুত্ব সবচেয়ে ভালো বোঝেন তিনি। তাই মাদরাসা ও স্কুলের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সাথে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রবীণদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে।

নির্বাচনী মাঠের পরিবেশ এবং প্রার্থীর অঙ্গীকার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজকর্মী রাজু মিয়া বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এমন একজন যোগ্য, সৎ ও শিক্ষিত অভিভাবক খুঁজছিলাম, যিনি ইউনিয়নের উন্নয়নকে কোনো একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করবেন। সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলীর পরিকল্পনাগুলো অত্যন্ত বাস্তবমুখী ও যুক্তিযুক্ত।
একইভাবে ইউনিয়নের একজন প্রান্তিক কৃষক আসাদুর রহমান জানান, কৃষকদের সার ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগে অনেক বৈষম্য হতো। যেভাবে সরাসরি প্রযুক্তিগত সহায়তার কথা তিনি বলেছেন, তা আমাদের মতো সাধারণ কৃষকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

২নং মাগুরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের অবহেলিত মানুষের প্রত্যাশা, সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলীর এই মানবিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব মাগুরা ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ইউনিয়নটিকে একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।

 

 

 

ঝিকরগাছায় টেকসই ও বৈষম্যহীন মাগুরা ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়: চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী

আপডেট সময় : ০২:৩২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ২নং মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী। সেবা, সততা ও উন্নয়নের পথে সবসময় আপনার পাশে এবং সবার জন্য সম-উন্নয়ন, একটি সমৃদ্ধ মাগুরা এই মূলনীতিকে সামনে রেখে তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। তাঁর এই প্রার্থিতা ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির ফলে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী একজন পেশাদার শিক্ষাবিদ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গ্রামীণ সমাজকে খুব কাছ থেকে দেখা এই মানুষটি অনুধাবন করেছেন যে, একটি এলাকার টেকসই অগ্রগতির জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সব ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান। তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে কেবল দৃশ্যমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।

নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলী বলেন, উপজেলার ২নং মাগুরা ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিক যেন কোনো প্রকার বৈষম্য ও হয়রানি ছাড়াই তাদের ন্যায্য নাগরিক অধিকার ফিরে পান, সেটাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি এমন একটি দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ উপহার দিতে চাই, যেখানে সুশাসন ও জবাবদিহিতা থাকবে শতভাগ।
তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের সংযোগ সড়কগুলোকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ বা মেরামতের মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও খুব সহজে চিকিৎসাসেবা ও বাজার ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হতে পারবে, যা অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে বড় ভূমিকা রাখবে। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিশুদ্ধ পানি ও আধুনিক স্যানিটেশন থেকে গ্রামীণ জনপদের মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়, সেটির ওপরও তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি একটি সুস্থ ও রোগমুক্ত ইউনিয়ন উপহার দিতে চান। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে কৃষকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের ভাগ্যোন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনা অত্যন্ত আধুনিক। কৃষকদের সার, বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অতীতে হওয়া বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতি দূর করে প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে সহায়তা এবং বেকার যুবকদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এতে করে প্রান্তিক কৃষকেরা তাঁদের শ্রমের সঠিক মূল্য পাবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন গতিশীলতা আসবে। একজন প্রবীণ শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার গুরুত্ব সবচেয়ে ভালো বোঝেন তিনি। তাই মাদরাসা ও স্কুলের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। একই সাথে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রবীণদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে।

নির্বাচনী মাঠের পরিবেশ এবং প্রার্থীর অঙ্গীকার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজকর্মী রাজু মিয়া বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এমন একজন যোগ্য, সৎ ও শিক্ষিত অভিভাবক খুঁজছিলাম, যিনি ইউনিয়নের উন্নয়নকে কোনো একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করবেন। সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলীর পরিকল্পনাগুলো অত্যন্ত বাস্তবমুখী ও যুক্তিযুক্ত।
একইভাবে ইউনিয়নের একজন প্রান্তিক কৃষক আসাদুর রহমান জানান, কৃষকদের সার ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগে অনেক বৈষম্য হতো। যেভাবে সরাসরি প্রযুক্তিগত সহায়তার কথা তিনি বলেছেন, তা আমাদের মতো সাধারণ কৃষকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

২নং মাগুরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের অবহেলিত মানুষের প্রত্যাশা, সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আলীর এই মানবিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব মাগুরা ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ইউনিয়নটিকে একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।