সিদ্ধিরগঞ্জে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ শিকারের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাত্র ছয়বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিশুটি জেলার ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল হতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় রয়েছেন জানিয়েছে পরিবার।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১১ টার মধ্যে কোনো এক অমানুষ এই জঘন্য কাজ করেছেন বলে দাবি পরিবারের।
ভুক্তভোগী অবুঝ শিশুর পিতা একজন অটোরিকশা চালক। তারা (নাসিক) ৯নং ওয়ার্ডের জালকুড়িস্থ পাঙাশা মজার সংলগ্নে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করছেন।
বিষয়টি জেনে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
কোনো এক অমানুষ নাতনিকে ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিশুটির নানা মো. রেজা মিয়া। তিনি বলেন, শনিবার ৯টায় আমার নাতনি তার দাদীর সঙ্গে পেনসিলসহ প্রয়োজনী জিনিসপত্র কেনাকাটার জন্য বাসার বাহিরে যান। কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরার পর তার দাদির কাছে মজা খাবার জন্য ১০ টাকা নিয়ে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হবার পর তাকে দীর্ঘক্ষণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে রাত ১১ টার সময়ে জালকুড়ি পেট্রোল পাম্পের সামনে অজ্ঞান অবস্থায় মানুষেরা দেখতে পেয়ে জানাজানি হলে আমরা সেখানে গিয়ে অচেতন অবস্থায় ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাই।
তিনি বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিকভাবে রক্তপাত বন্ধ করে এবং ইনজেকশন দিয়ে কিছুটা সুস্থ করেছেন। নাতনির জ্ঞান ফেরার পর তাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে ওই জানোয়ারের বিবরণ হিসেবে শুধুমাত্র লম্বাচুড়া এতোটুকুই বলতে পরেছেন। কিন্তু তাকে চেনেন না। এরপর ডাক্তার আমাদেরকে থানায় পাঠিয়েছে। আমরা থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে তদন্ত করে মামলা নিবে বলে জানিয়েছেন।
ঘটনা তদন্তের দায়িত্ববার পাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ জানান, কে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বাচ্চাটা তা বলতে পারছে না। আমি বর্তমানে তাদের বাসাতেই রয়েছি। আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। তদন্ত চলমান আছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় এসেছিল। ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে তা পরিবার নিশ্চিত না। আমি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে এসআই মাসুম বিল্লাহকে পাঠিয়েছি। পরিদর্শন শেষে বিস্তারিত বুঝে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখনো লিখিত অভিযোগ হয়নি।


















