০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

হাজারো মানুষের দুর্ভোগের শেষ কোথায়? দ্রুত রাস্তা সংস্কারের জোরালো দাবি!

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৩৪

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট :

​২০৭নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একদম সামনের এবং গাবগাছিয়া গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। শুধু একটি গ্রামই নয়, এই একটিমাত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে:

​তিনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী: ২০৭নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৯নং উত্তর বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৪২নং বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই পথে যাতায়াত করে।

​মাধ্যমিক ও কলেজগামী শিক্ষার্থী: স্থানীয় মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এই জরাজীর্ণ সড়ক ব্যবহার করছে।
​জরুরি রোগী পরিবহন: এলাকায় কোনো মানুষ গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আর কোনো বিকল্প পথ নেই।
​দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি চরম বেহালদশায় পড়ে আছে। কথার ফুলঝুরি ছড়ানো নেতার অভাব নেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের এই চরম ভোগান্তি নিরসনে বাস্তব উদ্যোগের বড্ড অভাব। আমাদের স্পষ্ট কথা—যিনি জনগণের এই মৌলিক সমস্যার সমাধান করবেন, তিনিই হবেন আমাদের প্রকৃত নেতা।

​সড়ক সংক্রান্ত তথ্য:

​সড়কের নাম: গাবগাছিয়া – বুরুজবাড়ি সড়ক
​রোড আইডি (Road ID): ২০১৬০৫০১৫
​উন্নয়নের নামে এই অবহেলা আর মেনে নেওয়া যায় না।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আকন,জাকিয়া আক্তার,তানহা আক্তার,সুমাইয়া আক্তার,আয়শা সিদ্দিকারা বলে আমাদের প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে আসতে খুব কষ্ট হয়।বৃষ্টি হলে এমন কাঁদা হয় আমার পড়ে যাই।আমাদের বই খাতা ড্রেস ভিজে যায়।আমাদের রাস্তাটা ঠিক করে দেওয়ার মতো কি কেউ নাই!

২০৭ নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাজমুল হক, স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম, জাকির আকন,জাকারিয়া আকন,সাইফুল ইসলামরা বলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন—জনস্বার্থে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গাবগাছিয়া – বুরুজবাড়ি সড়ক (ID: 201605015) দ্রুত পাকা ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।আমাদের কোমল বতী শিক্ষার্থীরা প্রায়ই এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার সময় পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে যেয়ে তাদের বই খাতা ভিজিয়ে ফেলে তাছাড়া অনেকেই পড়ে যেয়ে পায়ে আঘাত পায়।

হাজারো মানুষের দুর্ভোগের শেষ কোথায়? দ্রুত রাস্তা সংস্কারের জোরালো দাবি!

আপডেট সময় : ০৭:৩২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট :

​২০৭নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একদম সামনের এবং গাবগাছিয়া গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। শুধু একটি গ্রামই নয়, এই একটিমাত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে:

​তিনটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী: ২০৭নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৯নং উত্তর বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৪২নং বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই পথে যাতায়াত করে।

​মাধ্যমিক ও কলেজগামী শিক্ষার্থী: স্থানীয় মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এই জরাজীর্ণ সড়ক ব্যবহার করছে।
​জরুরি রোগী পরিবহন: এলাকায় কোনো মানুষ গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আর কোনো বিকল্প পথ নেই।
​দীর্ঘদিন ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি চরম বেহালদশায় পড়ে আছে। কথার ফুলঝুরি ছড়ানো নেতার অভাব নেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের এই চরম ভোগান্তি নিরসনে বাস্তব উদ্যোগের বড্ড অভাব। আমাদের স্পষ্ট কথা—যিনি জনগণের এই মৌলিক সমস্যার সমাধান করবেন, তিনিই হবেন আমাদের প্রকৃত নেতা।

​সড়ক সংক্রান্ত তথ্য:

​সড়কের নাম: গাবগাছিয়া – বুরুজবাড়ি সড়ক
​রোড আইডি (Road ID): ২০১৬০৫০১৫
​উন্নয়নের নামে এই অবহেলা আর মেনে নেওয়া যায় না।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আকন,জাকিয়া আক্তার,তানহা আক্তার,সুমাইয়া আক্তার,আয়শা সিদ্দিকারা বলে আমাদের প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে আসতে খুব কষ্ট হয়।বৃষ্টি হলে এমন কাঁদা হয় আমার পড়ে যাই।আমাদের বই খাতা ড্রেস ভিজে যায়।আমাদের রাস্তাটা ঠিক করে দেওয়ার মতো কি কেউ নাই!

২০৭ নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাজমুল হক, স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম, জাকির আকন,জাকারিয়া আকন,সাইফুল ইসলামরা বলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন—জনস্বার্থে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গাবগাছিয়া – বুরুজবাড়ি সড়ক (ID: 201605015) দ্রুত পাকা ও সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।আমাদের কোমল বতী শিক্ষার্থীরা প্রায়ই এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার সময় পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে যেয়ে তাদের বই খাতা ভিজিয়ে ফেলে তাছাড়া অনেকেই পড়ে যেয়ে পায়ে আঘাত পায়।