৯৬ সার ডিলারশিপে ৩২২ আবেদন, চাঁদপুরে তীব্র প্রতিযোগিতা
- আপডেট সময় : ১০:১২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
চাঁদপুরে সার ডিলার হতে আবেদনকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগের জন্য ৯৬ টির বিপরীতে ৩২২টি আবেদন জমা পড়েছে। নির্ধারিত সংখ্যক ডিলারশিপের বিপরীতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।
জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুরের আট উপজেলায় মোট ৩২২টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে চাঁদপুর সদরে ৪২টি, মতলব উত্তরে ৬৮টি, মতলব দক্ষিণে ২৮টি, হাজীগঞ্জে ৩৪টি, শাহরাস্তিতে ২৮টি, কচুয়ায় ৫৫টি, ফরিদগঞ্জে ৪৮টি এবং হাইমচরে ১৯টি আবেদন জমা হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে মতলব উত্তর উপজেলায় ৬৮টি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকায় সার ডিলারশিপ পেতে আবেদনকারীদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। তবে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই করা হবে।
সার ডিলারশিপের আবেদনকারী নাদিম মিয়া জানান, অনেকেই ডিলারশিপের জন্য আবেদন করেছেন। আমরা আশা করছি, নিয়মনীতি অনুসরণ করে যোগ্যতার ভিত্তিতে ডিলার নির্বাচন করা হবে। এতে প্রকৃত ও যোগ্য আবেদনকারীরা সুযোগ পাবেন।
মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদনকারীদের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। কৃষকদের কাছে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবু তাহের জানান, জেলার আটটি পৌরসভা ও ৮৮টি ইউনিয়নে একজন করে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি জানান, আমাদের কার্যক্রম শেষের পথে। আবেদনগুলো ঢাকায় পাঠানো হবে। এরই মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আবেদনগুলো উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক।
তিনি আরও জানান, আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যোগ্যতা যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে।



















