০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি খালে ব্যক্তিগত ভবন,তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে ওসিকে বিচারকের আদেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২২

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ,কচুয়া ও গৌরিপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কচুয়া বিশ্বরোড এলাকার ব্র্যাক অফিসের দক্ষিণ পাশে কচুয়া বাজারের সরকারি প্রবাহমান খাল

দখল করে ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি আমলে নিয়েছে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বিষয়টি থানার ওসিকে সরেজমিন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন।

ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ এপ্রিল স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- জেলার হাজীগঞ্জ, কচুয়া ও গৌরিপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কচুয়া বিশ্বরোড এলাকার ব্র্যাক অফিসের দক্ষিণ পাশে কচুয়া বাজারের সরকারি প্রবাহমান খালের উপর ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল জলিল নামের এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজন একাধিকবার প্রশাসন ও পৌরসভাকে বিষয়টি অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। যার ফলে এলাকার কয়েক হেক্টর কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন।

প্রতিবেদনে বর্ণিত কার্যক্রম আপাতদৃষ্টিতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে একটি শান্তিযোগ্য অপরাধ বলে প্রমাণিত হয়। এই ধারায় সরকারি ও জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমিতে অবৈধভাবে দখল বা স্থাপনা নির্মাণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে খাল এক প্রকারের জলাধার এবং একই আইনের ৬৬ ধারা মতে জলাধার ভরাট করা আইনত দণ্ডনীয়।

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন বলেন, গত ২৯ এপ্রিল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান খাল ভরাট বিষয়ে আদেশ দেন। সেখানে তিনি কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে সংবাদে উল্লেখিত ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক স্থানীয় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ সহ জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দেন।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

সরকারি খালে ব্যক্তিগত ভবন,তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে ওসিকে বিচারকের আদেশ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ,কচুয়া ও গৌরিপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কচুয়া বিশ্বরোড এলাকার ব্র্যাক অফিসের দক্ষিণ পাশে কচুয়া বাজারের সরকারি প্রবাহমান খাল

দখল করে ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি আমলে নিয়েছে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বিষয়টি থানার ওসিকে সরেজমিন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন।

ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ এপ্রিল স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- জেলার হাজীগঞ্জ, কচুয়া ও গৌরিপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কচুয়া বিশ্বরোড এলাকার ব্র্যাক অফিসের দক্ষিণ পাশে কচুয়া বাজারের সরকারি প্রবাহমান খালের উপর ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল জলিল নামের এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজন একাধিকবার প্রশাসন ও পৌরসভাকে বিষয়টি অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। যার ফলে এলাকার কয়েক হেক্টর কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন।

প্রতিবেদনে বর্ণিত কার্যক্রম আপাতদৃষ্টিতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে একটি শান্তিযোগ্য অপরাধ বলে প্রমাণিত হয়। এই ধারায় সরকারি ও জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমিতে অবৈধভাবে দখল বা স্থাপনা নির্মাণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে খাল এক প্রকারের জলাধার এবং একই আইনের ৬৬ ধারা মতে জলাধার ভরাট করা আইনত দণ্ডনীয়।

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ স্বপন বলেন, গত ২৯ এপ্রিল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান খাল ভরাট বিষয়ে আদেশ দেন। সেখানে তিনি কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে সংবাদে উল্লেখিত ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক স্থানীয় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ সহ জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা সংগ্রহপূর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দেন।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন