০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

স্কুলের মাঠে ইহরাম বেঁধে কোমলমতি শিশুদের হজ প্রশিক্ষণ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ৭৪

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজিকান্দি ইউনিয়নের বড় হলদিয়া গ্রামে অবস্থিত রুহামা মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী হজ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে অংশ নেয় প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্রিয়েটিভ আইডিয়াল সোসাইটি পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ আয়োজন করে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, অর্থবহ শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং জ্ঞান, ব্যবহারিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ের মাধ্যমেই প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়। এই ভাবনা থেকেই শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় বাস্তবধর্মী হজ প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় মাঠকে প্রতীকীভাবে কাবা শরিফ, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফাহ ও মুযদালিফার আদলে সাজানো হয়। শিশু শিক্ষার্থীরা ইহরাম পরিধান করে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা অনুশীলন করে।

তারা কাবা শরিফ তাওয়াফ, সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ, মিনায় অবস্থান, আরাফাতে উকুফ, মুযদালিফায় কঙ্কর সংগ্রহ, রমি আল-জামারাত, কুরবানি, হালক/তাকসির এবং বিদায়ী তাওয়াফের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নেয়।

প্রশিক্ষণ চলাকালে শিশুদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ উপস্থিত অভিভাবকদের মুগ্ধ করে। অভিভাবক সালাউদ্দিন, টিপু সুলতান ও নাসরিন আক্তার বলেন, শুধু বই পড়ে নয়, বাস্তবে দেখে ও অংশ নিয়ে শিশুরা হজের বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পারছে। এটি তাদের ধর্মীয় জ্ঞান ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থী লাবিবা রহমান, রাদিয়া আক্তার ও ফাতিমা সুলতানা জানায়, এমন আয়োজন পেয়ে তারা অনেক আনন্দিত। বাস্তবভাবে হজের বিভিন্ন ধাপ অনুশীলন করতে পেরে তাদের খুব ভালো লেগেছে।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক মো. বায়েজিত বলেন, শিশুদের মাঝে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা আনন্দঘন ও বাস্তবধর্মী উপায়ে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, ধর্মীয় শিক্ষাকে আনন্দময় ও ব্যবহারিকভাবে উপস্থাপন করার এ উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

স্কুলের মাঠে ইহরাম বেঁধে কোমলমতি শিশুদের হজ প্রশিক্ষণ

আপডেট সময় : ০৭:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজিকান্দি ইউনিয়নের বড় হলদিয়া গ্রামে অবস্থিত রুহামা মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী হজ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে অংশ নেয় প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্রিয়েটিভ আইডিয়াল সোসাইটি পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ আয়োজন করে।

প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, অর্থবহ শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং জ্ঞান, ব্যবহারিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ের মাধ্যমেই প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়। এই ভাবনা থেকেই শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় বাস্তবধর্মী হজ প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় মাঠকে প্রতীকীভাবে কাবা শরিফ, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফাহ ও মুযদালিফার আদলে সাজানো হয়। শিশু শিক্ষার্থীরা ইহরাম পরিধান করে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা অনুশীলন করে।

তারা কাবা শরিফ তাওয়াফ, সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ, মিনায় অবস্থান, আরাফাতে উকুফ, মুযদালিফায় কঙ্কর সংগ্রহ, রমি আল-জামারাত, কুরবানি, হালক/তাকসির এবং বিদায়ী তাওয়াফের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নেয়।

প্রশিক্ষণ চলাকালে শিশুদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ উপস্থিত অভিভাবকদের মুগ্ধ করে। অভিভাবক সালাউদ্দিন, টিপু সুলতান ও নাসরিন আক্তার বলেন, শুধু বই পড়ে নয়, বাস্তবে দেখে ও অংশ নিয়ে শিশুরা হজের বিষয়গুলো সহজে বুঝতে পারছে। এটি তাদের ধর্মীয় জ্ঞান ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থী লাবিবা রহমান, রাদিয়া আক্তার ও ফাতিমা সুলতানা জানায়, এমন আয়োজন পেয়ে তারা অনেক আনন্দিত। বাস্তবভাবে হজের বিভিন্ন ধাপ অনুশীলন করতে পেরে তাদের খুব ভালো লেগেছে।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক মো. বায়েজিত বলেন, শিশুদের মাঝে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা আনন্দঘন ও বাস্তবধর্মী উপায়ে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, ধর্মীয় শিক্ষাকে আনন্দময় ও ব্যবহারিকভাবে উপস্থাপন করার এ উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন