১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে থাকবে ত্রিশালের ৭৩টি পূঁজামণ্ডপ

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১২৯

ষ্টাফ রিপোর্টার:

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে আগামীকাল ২০ অক্টোবর। ধর্ম যার যার উৎসব সবার এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উৎসবকে শান্তিপুর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন। এবার ময়মনসিংহের ত্রিশালের ৭৩টি পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় উৎসব। এই উৎসবে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে যে কো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। সে সুত্র ধরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ এই উৎসবে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এ ছাড়া যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে সার্বিক খোঁজখবর রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে কন্ট্রোল রুম। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠে থাকবে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
উপজেলা সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জুয়েল আহমেদ।
সূত্র জানায়, ২০ থেকে শুরু হয়ে ২৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গোৎসব। সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় এ উৎসব যেন নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে সেজন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তুলির আঁচরে মৃৎশিল্পীরা শেষ মুহূর্তে মনের মাধুরী দিয়ে আঁকছেন প্রতীমাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে এ বছর ৭৩টি পূজামণ্ডপে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শংকর রায় ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রণব আচার্য্য।
সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সভা। এ সভায় পৌরসভাসহ উপজেলার ৭৩টি মন্দিরের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় সিসি ক্যামেরা ও সরকারি অনুদান মণ্ডপ প্রতি পাঁচশত কেজি করে চাল।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা আওমী লীগের সভাপতি আবুল কালাম শামসুদ্দিন, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা খানম রুমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শংকর রায়, সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রণব আচার্য্যসহ ইউপি চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও ৭৩টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিগণ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ জানান, প্রতিমা তৈরি ও এ সংক্রান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। পূজায় যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে তার জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থাপন করা হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে থাকবে ত্রিশালের ৭৩টি পূঁজামণ্ডপ

আপডেট সময় : ১১:২৬:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

ষ্টাফ রিপোর্টার:

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে আগামীকাল ২০ অক্টোবর। ধর্ম যার যার উৎসব সবার এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উৎসবকে শান্তিপুর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন। এবার ময়মনসিংহের ত্রিশালের ৭৩টি পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় উৎসব। এই উৎসবে যেন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে যে কো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। সে সুত্র ধরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ এই উৎসবে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এ ছাড়া যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে সার্বিক খোঁজখবর রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে কন্ট্রোল রুম। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠে থাকবে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
উপজেলা সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জুয়েল আহমেদ।
সূত্র জানায়, ২০ থেকে শুরু হয়ে ২৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গোৎসব। সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় এ উৎসব যেন নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে সেজন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তুলির আঁচরে মৃৎশিল্পীরা শেষ মুহূর্তে মনের মাধুরী দিয়ে আঁকছেন প্রতীমাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে এ বছর ৭৩টি পূজামণ্ডপে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শংকর রায় ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রণব আচার্য্য।
সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সভা। এ সভায় পৌরসভাসহ উপজেলার ৭৩টি মন্দিরের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় সিসি ক্যামেরা ও সরকারি অনুদান মণ্ডপ প্রতি পাঁচশত কেজি করে চাল।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা আওমী লীগের সভাপতি আবুল কালাম শামসুদ্দিন, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা খানম রুমা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শংকর রায়, সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রণব আচার্য্যসহ ইউপি চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও ৭৩টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিগণ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ জানান, প্রতিমা তৈরি ও এ সংক্রান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। পূজায় যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে তার জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থাপন করা হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।