০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কচুয়ায় মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষাণির মৃত্যু, আহত-১

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ১৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মো. রাছেল:

চাঁদপুরের কচুয়ায় মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে পদ্মা রানী (৫৫) নামে এক কৃষাণির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের বড় হায়াতপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃত সুনিল চন্দ্রের ছেলে নারায়ন (৩০) আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। নিহত পদ্মা রানী ওই গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মৃত সুনীল চন্দ্র সরকারের স্ত্রী।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় হায়াতপুর পাটোয়ারী বাড়ির সামনের মাঠে শুকানো ধান আনতে যান পদ্মা রানী ও তার ছেলে নারায়ন। ধান গুছিয়ে নেওয়ার শেষ মুহূর্তে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতের আঘাতে মা ও ছেলে দুজনেই মাঠের মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাসনুবা মরিয়ম পদ্মা রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার ছেলে প্রাণে বেঁচে যান। আহত নারায়নের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।

খবর পেয়ে কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

এব্যাপারে কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বজ্রপাতে নিহত পদ্মা রানীর খবর শোনে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এখন।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

কচুয়ায় মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষাণির মৃত্যু, আহত-১

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মো. রাছেল:

চাঁদপুরের কচুয়ায় মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে পদ্মা রানী (৫৫) নামে এক কৃষাণির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের বড় হায়াতপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃত সুনিল চন্দ্রের ছেলে নারায়ন (৩০) আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। নিহত পদ্মা রানী ওই গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মৃত সুনীল চন্দ্র সরকারের স্ত্রী।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড় হায়াতপুর পাটোয়ারী বাড়ির সামনের মাঠে শুকানো ধান আনতে যান পদ্মা রানী ও তার ছেলে নারায়ন। ধান গুছিয়ে নেওয়ার শেষ মুহূর্তে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতের আঘাতে মা ও ছেলে দুজনেই মাঠের মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাসনুবা মরিয়ম পদ্মা রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার ছেলে প্রাণে বেঁচে যান। আহত নারায়নের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।

খবর পেয়ে কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

এব্যাপারে কচুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বজ্রপাতে নিহত পদ্মা রানীর খবর শোনে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এখন।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন