১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
অস্ত্র লুট, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতায় নির্বাচনী পরিবেশ চরম ঝুঁকিতে

সরকারকে প্রার্থীদের নিরাপত্তায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে : সোহাইল ইসলাম ইফতি

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১২৩

Oplus_16908288

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় যুবশক্তির নারায়ণগঞ্জ জেলা সংগঠক সোহাইল ইসলাম ইফতি বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের কথা বলা হলেও দেশে এখনো কার্যকর কোনো নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়নি। বরং পরিকল্পিতভাবে দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ঢাকা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ প্রকাশ্যে মহড়া দিচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে এ বিষয়ে সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আসলে কী ভূমিকা পালন করছে? যদি সত্যিই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।”

সোহাইল ইসলাম ইফতি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্রই এখন নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। এসব অস্ত্র রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে দাগি অপরাধী, জেল পলাতক ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের হাতে চলে গেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগে অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করেছে। জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার ভেঙে শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও চরমপন্থিসহ গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বহু আসামি পালিয়ে যায়। তাদের অনেককেই এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি জামিনে মুক্ত হয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী আবারও তাদের পুরনো অপরাধী নেটওয়ার্ক সক্রিয় করেছে এবং বড় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছায়াতলে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, তথাকথিত ‘আমজনতা’ নামে নতুন আওয়ামী ও জাতীয় পার্টির বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান জরুরি। যেহেতু তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, সেহেতু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য মাঠে নিয়োজিত রাখতে হবে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি ওসমান হাদী ভাইয়ের বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে এবং কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে না।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

অস্ত্র লুট, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতায় নির্বাচনী পরিবেশ চরম ঝুঁকিতে

সরকারকে প্রার্থীদের নিরাপত্তায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে : সোহাইল ইসলাম ইফতি

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় যুবশক্তির নারায়ণগঞ্জ জেলা সংগঠক সোহাইল ইসলাম ইফতি বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের কথা বলা হলেও দেশে এখনো কার্যকর কোনো নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়নি। বরং পরিকল্পিতভাবে দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ঢাকা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ প্রকাশ্যে মহড়া দিচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে এ বিষয়ে সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আসলে কী ভূমিকা পালন করছে? যদি সত্যিই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।”

সোহাইল ইসলাম ইফতি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া অস্ত্রই এখন নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। এসব অস্ত্র রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে দাগি অপরাধী, জেল পলাতক ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের হাতে চলে গেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগে অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করেছে। জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার ভেঙে শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও চরমপন্থিসহ গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বহু আসামি পালিয়ে যায়। তাদের অনেককেই এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি জামিনে মুক্ত হয়ে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী আবারও তাদের পুরনো অপরাধী নেটওয়ার্ক সক্রিয় করেছে এবং বড় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছায়াতলে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, তথাকথিত ‘আমজনতা’ নামে নতুন আওয়ামী ও জাতীয় পার্টির বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান জরুরি। যেহেতু তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, সেহেতু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য মাঠে নিয়োজিত রাখতে হবে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি ওসমান হাদী ভাইয়ের বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে এবং কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে না।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন