০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শিপন

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩১

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ :

নিজের ও নেতাকর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ প্রতীক) কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।

মঙ্গলবার,১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তার অনুসারী বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি মোরেলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে আমাকে এবং আমার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ জব্বারকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব বিবেচনায় নির্বাচনে থাকলে আমার ও আমার নেতাকর্মীদের জীবনের শঙ্কা রয়েছে। তাই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ২০১৮ সালেও বিএনপির প্রার্থী ছিলাম। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি-ধামকি অব্যাহত রয়েছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার চেষ্টা থাকলেও তা পর্যাপ্ত হয়নি। এ অবস্থায় প্রত্যন্ত এই এলাকায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করছি। তাই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

উল্লেখ্য, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করায় গত ২১ জানুয়ারি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বর্তমানে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে, জামায়াতে ইসলামী থেকে অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ওমর ফাকুর নূরী, জাতীয় পার্টি থেকে সাজন কুমার মিস্ত্রি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে আব্দুল লতিফ খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।.


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শিপন

আপডেট সময় : ০৪:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ :

নিজের ও নেতাকর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ প্রতীক) কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।

মঙ্গলবার,১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তার অনুসারী বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি মোরেলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে আমাকে এবং আমার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ জব্বারকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব বিবেচনায় নির্বাচনে থাকলে আমার ও আমার নেতাকর্মীদের জীবনের শঙ্কা রয়েছে। তাই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ২০১৮ সালেও বিএনপির প্রার্থী ছিলাম। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি-ধামকি অব্যাহত রয়েছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার চেষ্টা থাকলেও তা পর্যাপ্ত হয়নি। এ অবস্থায় প্রত্যন্ত এই এলাকায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে আমরা মনে করছি। তাই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

উল্লেখ্য, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করায় গত ২১ জানুয়ারি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বর্তমানে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে, জামায়াতে ইসলামী থেকে অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ওমর ফাকুর নূরী, জাতীয় পার্টি থেকে সাজন কুমার মিস্ত্রি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে আব্দুল লতিফ খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।.


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন