০৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বসন্তের কোকিলের কথা শুনে এমপি তো দূরের কথা, মেম্বারও বানাবেন না : গিয়াসউদ্দিন

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৯

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ :

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন, কখনো স্বর্ণলতা কখনো বসন্তের কোকিলের কথা শুনে এমপি তো দূরের কথা মেম্বারও বানাবেন না। যে সুখ-দুঃখে কাজ করে সে যদি আপনার দুশমনও হয়, পাড়ার মানুষও হয় তাহলে তাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানাবেন। যেন তারা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার গোগনগের সৈয়দপুর ফকিরবাড়ী, আলীরটেক, বক্তাবলি এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এই আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী কাশেমীকে উদ্দেশ্য করে গিয়াসউদ্দিন বলেন, তিনি সম্মানিত আলেম। আলেম ওলামাকে অনেক সম্মান করি এবং তারাও আমাকে অনেক ভালোবাসে। সেজন্য আমি ধর্মকর্ম ঠিকমত করার চেষ্টা করি এবং ওনাদের সবসময় সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি। উনি যেহেতু আলেম, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে আমার বুক কাঁপবে। কিন্তু প্রকৃত কথা বলে না গেলে সমস্যা। আলেম ওলামায়ের মধ্যে ভালো-মন্দ আছে।

অধিকাংশই তাকে পছন্দ করেন না। সে (কাশেমী) বলেছিল, ‘যদি আমি ধানের শীষ প্রতীক না পাই, তাহলে আমি নির্বাচন করবো না।’ তিনি অনেক চেষ্টা করেছিলেন ধানের প্রতীক নেওয়ার জন্য। আইন তা হতে দেয়নি। এরপর সে চেষ্টা করেছিল বিএনপি নেতাদের ধরে নিজের দল থেকে সরে গিয়ে রিজাইন করে ধানের শীষ নেওয়ার জন্য। দল বলেছে সেটা হবে না। নিরুপায় হয়ে তিনি এখন খেজুরগাছ (তার দলের প্রতীক) নিয়ে নির্বাচন করছেন। তাহলে তিনি তার ওয়াদা বরখেলাপ করেছেন। একজন আলেম হয়ে যদি ক্ষমতার জন্য তার জবান নষ্ট করতে হয়, আমি তাহলে তার বিষয়ে আর কিছু বলবো না।
গোগনগর সৈয়দপুর এলাকায় পথসভায় সভাপতিত্ব করেন মোক্তার হোসেন, আলীরটে এলাকার পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সোহেল পাঠান এবং বক্তাবলি পথসভায় সভাপতিত্ব করেন হাসান আলী। উক্ত পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ মোল্লা, আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, কবির প্রধান, হাজী বিল্লাল হোসেন, মইনুল হোসেন রতন, স্বপন চৌধুরী, মো. সেলিম, আশিক মাহমুদ সুমন, আবুল খায়ের, হাজী দেলোয়ার, মোজাম্মেল প্রধান, সুরুজ্জামান, আব্দুল করিম, আলী মিয়া, শহিদ খন্দকার, আব্দুল কাদের, আব্দুল করিম, আনোয়ার মাদবর, মফিজ উদ্দিন, নুর মোহম্মদ নুরু, মোতালেব গাজী, ফয়সাল আহাম্মেদ, জামাল হোসেন প্রমূখ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

বসন্তের কোকিলের কথা শুনে এমপি তো দূরের কথা, মেম্বারও বানাবেন না : গিয়াসউদ্দিন

আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের নিউজ :

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন, কখনো স্বর্ণলতা কখনো বসন্তের কোকিলের কথা শুনে এমপি তো দূরের কথা মেম্বারও বানাবেন না। যে সুখ-দুঃখে কাজ করে সে যদি আপনার দুশমনও হয়, পাড়ার মানুষও হয় তাহলে তাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানাবেন। যেন তারা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার গোগনগের সৈয়দপুর ফকিরবাড়ী, আলীরটেক, বক্তাবলি এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এই আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী কাশেমীকে উদ্দেশ্য করে গিয়াসউদ্দিন বলেন, তিনি সম্মানিত আলেম। আলেম ওলামাকে অনেক সম্মান করি এবং তারাও আমাকে অনেক ভালোবাসে। সেজন্য আমি ধর্মকর্ম ঠিকমত করার চেষ্টা করি এবং ওনাদের সবসময় সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করি। উনি যেহেতু আলেম, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে আমার বুক কাঁপবে। কিন্তু প্রকৃত কথা বলে না গেলে সমস্যা। আলেম ওলামায়ের মধ্যে ভালো-মন্দ আছে।

অধিকাংশই তাকে পছন্দ করেন না। সে (কাশেমী) বলেছিল, ‘যদি আমি ধানের শীষ প্রতীক না পাই, তাহলে আমি নির্বাচন করবো না।’ তিনি অনেক চেষ্টা করেছিলেন ধানের প্রতীক নেওয়ার জন্য। আইন তা হতে দেয়নি। এরপর সে চেষ্টা করেছিল বিএনপি নেতাদের ধরে নিজের দল থেকে সরে গিয়ে রিজাইন করে ধানের শীষ নেওয়ার জন্য। দল বলেছে সেটা হবে না। নিরুপায় হয়ে তিনি এখন খেজুরগাছ (তার দলের প্রতীক) নিয়ে নির্বাচন করছেন। তাহলে তিনি তার ওয়াদা বরখেলাপ করেছেন। একজন আলেম হয়ে যদি ক্ষমতার জন্য তার জবান নষ্ট করতে হয়, আমি তাহলে তার বিষয়ে আর কিছু বলবো না।
গোগনগর সৈয়দপুর এলাকায় পথসভায় সভাপতিত্ব করেন মোক্তার হোসেন, আলীরটে এলাকার পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সোহেল পাঠান এবং বক্তাবলি পথসভায় সভাপতিত্ব করেন হাসান আলী। উক্ত পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ মোল্লা, আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, কবির প্রধান, হাজী বিল্লাল হোসেন, মইনুল হোসেন রতন, স্বপন চৌধুরী, মো. সেলিম, আশিক মাহমুদ সুমন, আবুল খায়ের, হাজী দেলোয়ার, মোজাম্মেল প্রধান, সুরুজ্জামান, আব্দুল করিম, আলী মিয়া, শহিদ খন্দকার, আব্দুল কাদের, আব্দুল করিম, আনোয়ার মাদবর, মফিজ উদ্দিন, নুর মোহম্মদ নুরু, মোতালেব গাজী, ফয়সাল আহাম্মেদ, জামাল হোসেন প্রমূখ।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন