০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে চাকরি নেই বলেই লোকে টিকটক করে ডলার কামাচ্ছে

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬২

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের বিনোদন :

চাকরির নিশ্চয়তা যেখানে তলানিতে, সেখানে শিক্ষিত তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগ্রহী হওয়াকে স্বাভাবিক মনে করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা। সম্প্রতি এক শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। যেখানে তিনি স্পষ্ট করতে চাইলেন, বেকার থাকার চেয়ে টিকটকে আয় করা ভালো।

অর্ষা বলেন, যে দেশে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেও চাকরি পাওয়া নিয়ে এত অনিশ্চয়তা সেখানে তরুণরা টিকটক বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে ডলার উপার্জন করছে। এটাই স্বাভাবিক।

অর্ষা বলেন, আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও আয় করতে পারি, তাহলে কেন করব না? যারা সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করছে, তারাই প্রকৃতভাবে উদ্যোগী। এটি কোনো নেতিবাচক বিষয় নয়।

তিনি আরও বলেন, আজকের পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বা মাস্টার্স পাশ করা শিক্ষিত তরুণদের চা-বিক্রি বা ফুসকা বিক্রি করতে হয়, যা দুঃখজনক। দীর্ঘ পড়াশোনার বিনিয়োগ শেষে যখন কেউ চাকরি পায় না, তখন তার নিজের ও পরিবারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ক্ষতি হয়।

অর্ষা শেষ মন্তব্যে জানান, তুলনামূলকভাবে কম বয়সে অনলাইনে আয় করা তরুণরা তাদের জীবনকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করছে। তারা দেশ-বিদেশে ঘুরছে এবং নিজের আয়েই জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু শিক্ষিত কেউ বেকার থাকলে, তা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অর্থাৎ দেশের চাকরির সংকটই তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকতে প্ররোচিত করছে, যেখানে তারা তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে অর্থ উপার্জন করছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

দেশে চাকরি নেই বলেই লোকে টিকটক করে ডলার কামাচ্ছে

আপডেট সময় : ০৫:৩১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিদিনের বিনোদন :

চাকরির নিশ্চয়তা যেখানে তলানিতে, সেখানে শিক্ষিত তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগ্রহী হওয়াকে স্বাভাবিক মনে করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা। সম্প্রতি এক শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। যেখানে তিনি স্পষ্ট করতে চাইলেন, বেকার থাকার চেয়ে টিকটকে আয় করা ভালো।

অর্ষা বলেন, যে দেশে মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করেও চাকরি পাওয়া নিয়ে এত অনিশ্চয়তা সেখানে তরুণরা টিকটক বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে ডলার উপার্জন করছে। এটাই স্বাভাবিক।

অর্ষা বলেন, আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও আয় করতে পারি, তাহলে কেন করব না? যারা সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করছে, তারাই প্রকৃতভাবে উদ্যোগী। এটি কোনো নেতিবাচক বিষয় নয়।

তিনি আরও বলেন, আজকের পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বা মাস্টার্স পাশ করা শিক্ষিত তরুণদের চা-বিক্রি বা ফুসকা বিক্রি করতে হয়, যা দুঃখজনক। দীর্ঘ পড়াশোনার বিনিয়োগ শেষে যখন কেউ চাকরি পায় না, তখন তার নিজের ও পরিবারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ক্ষতি হয়।

অর্ষা শেষ মন্তব্যে জানান, তুলনামূলকভাবে কম বয়সে অনলাইনে আয় করা তরুণরা তাদের জীবনকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করছে। তারা দেশ-বিদেশে ঘুরছে এবং নিজের আয়েই জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু শিক্ষিত কেউ বেকার থাকলে, তা ভবিষ্যতে আমাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অর্থাৎ দেশের চাকরির সংকটই তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকতে প্ররোচিত করছে, যেখানে তারা তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে অর্থ উপার্জন করছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন