০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুরে আগাম ঈদ নিয়ে ভিন্নতা, হাজীগঞ্জে ৭ মুসল্লির জামাত

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / ২৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ ভিন্ন মতের কারণে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাত্র ৭ জন মুসল্লি অংশ নিয়ে জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টায় এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা ইসহাকের ছেলে মাওলানা আবুবক্কর চৌধুরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদ দেখার বিষয়ে মতভেদ তৈরি হওয়ায় বৃহৎ পরিসরের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মাওলানা ইসহাকের দৌহিত্র মাওলানা ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে চাঁদ দেখার যে খবর পাওয়া গেছে তা দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের পরও সন্দেহমুক্ত হয়নি। তাই ওই সংবাদ গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।

তিনি আরও বলেন, “সন্দেহের ভিত্তিতে রোজা ভেঙে ঈদ উদযাপন করা শরীয়তসম্মত নয়। এজন্য আমরা ৩০টি রোজা পূর্ণ করে আগামী শুক্রবার ঈদ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইনশাআল্লাহ।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপনের একটি ধারা চাঁদপুরে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ১৯২৮ সাল থেকে এই প্রথা অনুসরণ করে আসছেন। বর্তমানে জেলার প্রায় ৪০টি গ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ধারা অনুসরণ করা হয়।

শুরুর দিকে এ নিয়ে মতবিরোধ ও স্থানীয় উত্তেজনা দেখা দিলেও সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তবে প্রতি বছরই ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত ও আলোচনার সৃষ্টি হয় স্থানীয়ভাবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

চাঁদপুরে আগাম ঈদ নিয়ে ভিন্নতা, হাজীগঞ্জে ৭ মুসল্লির জামাত

আপডেট সময় : ০২:৩২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ ভিন্ন মতের কারণে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাত্র ৭ জন মুসল্লি অংশ নিয়ে জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টায় এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা ইসহাকের ছেলে মাওলানা আবুবক্কর চৌধুরী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদ দেখার বিষয়ে মতভেদ তৈরি হওয়ায় বৃহৎ পরিসরের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মাওলানা ইসহাকের দৌহিত্র মাওলানা ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে চাঁদ দেখার যে খবর পাওয়া গেছে তা দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের পরও সন্দেহমুক্ত হয়নি। তাই ওই সংবাদ গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।

তিনি আরও বলেন, “সন্দেহের ভিত্তিতে রোজা ভেঙে ঈদ উদযাপন করা শরীয়তসম্মত নয়। এজন্য আমরা ৩০টি রোজা পূর্ণ করে আগামী শুক্রবার ঈদ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইনশাআল্লাহ।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগাম রোজা ও ঈদ উদযাপনের একটি ধারা চাঁদপুরে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ১৯২৮ সাল থেকে এই প্রথা অনুসরণ করে আসছেন। বর্তমানে জেলার প্রায় ৪০টি গ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ধারা অনুসরণ করা হয়।

শুরুর দিকে এ নিয়ে মতবিরোধ ও স্থানীয় উত্তেজনা দেখা দিলেও সময়ের সঙ্গে তা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তবে প্রতি বছরই ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত ও আলোচনার সৃষ্টি হয় স্থানীয়ভাবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন