মমিনুল ইসলাম:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় চলতি মৌসুমে শসা চাষ করে লোকসানের মুখে পড়েছেন অনেক কৃষক। তীব্র শীতের সময়ে চারা গজাতে সমস্যা, পোকামাকড়ের আক্রমণ ও বাজারে কম দামের কারণে হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা। ফলে অনেক কৃষক শসা চাষ ছেড়ে খিরা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর মতলব উত্তরে খিরা ও শসা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬০ হেক্টর জমিতে।
কৃষি উদ্যোক্তা মো. আতাউর রহমান সরকার জানান, তিনি ১৬ শতক জমিতে শসা চাষ করে লাভ করতে পারেননি। তীব্র শীতের কারণে তিনবার বীজ বপন করলেও ঠিকমতো চারা গজায়নি। পোকামাকড়ের আক্রমণে ফলনও কম হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হলেও বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ১০ হাজার টাকার শসা।
মিঠুরকান্দি গ্রামের কৃষক হাসিব মিয়া বলেন, এক বিঘা জমিতে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করে শসা চাষ করেও এখন পর্যন্ত অর্ধেক খরচ উঠাতে পারেননি।
অন্যদিকে ষাটনল গ্রামের খিরা চাষি জামাল ও মনির হোসেন জানান, খিরা চাষে তারা ভালো লাভ পাচ্ছেন। বর্তমানে বাজারে খিরা প্রতি কেজি ৪০-৪৫ টাকা এবং শসা ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, এই সময়টাতে বাজারে খিরা ও শসা দুটোরই চাহিদা থাকে। তবে এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় শসার ফলন কিছুটা কম হয়েছে। অন্যদিকে খিরা চাষে তুলনামূলক ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পাওয়ায় অনেক কৃষক শসা চাষের পরিবর্তে খিরা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ, উন্নত জাতের বীজ নির্বাচন, রোগবালাই দমন এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে, যাতে কৃষকরা কম খরচে বেশি উৎপাদন করতে পারেন এবং ক্ষতির ঝুঁকি কমে।
এসকে মাল্টিমিডিয়া থেকে প্রকাশিত "প্রতিদিনের নিউজ ডটকম" হেড অফিস: ৫৩/এ নয়া পল্টন এক্সটেনশন রোড ঢাকা-১২০০। মোবাইল ০১৯৩০ ১৭২ ৫২০, ০১৩১৪ ১৬৮ ৬৪৪ । আঞ্চলিক অফিস: হাজী রজ্জব আলী সুপার মার্কেট (নিচ তলা) চিটাগাংরোড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। Email:protidinernews24@gmail
সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না