নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক সাখাওয়াত
- আপডেট সময় : ০৯:০৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৫৫

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক পদে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১)-এর অনুবৃত্তিক্রমে করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়াও একই প্রজ্ঞাপনে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, খুলনা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, দল আমার প্রতি আস্থা রেখেছে, এজন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করবো। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি আরও জানান, শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন, হকার ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, জলাবদ্ধতা নিরসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি করপোরেশনের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও সেবার ডিজিটালাইজেশনেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বমহলে সমাদৃত। সাতখুন হত্যা মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে সারাদেশে আলোচনায় আসেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৮ সালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি। যদিও আসনটি শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রাথমিকভাবে তার নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত অন্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত করে দল।
এদিকে প্রশাসক পদে নিয়োগকে সাখাওয়াতের রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে দেখছেন তার অনুসারীরা। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সক্রিয়তার স্বীকৃতিই এ সিদ্ধান্ত।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী অপসারিত হন। তৎকালীন অন্তর্র্বতীকালীন সরকার প্রথমে অতিরিক্ত সচিব এএইচএম কামরুজ্জামানকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরে তাকে বদলি করে যুগ্ম সচিব আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনের আগ পর্যন্ত প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন আবু নছর আব্দুল্লাহ।


























