০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মান্নানের বিজয়: নেপথ্যে সেলিম হোসেন দিপু

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৯৪

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান এর বিজয়কে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন দিপু এর নাম। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, এই বিজয়ের পেছনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রম ছিল অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই সেলিম হোসেন দিপু সিদ্ধিরগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করে তিনি পুরো নির্বাচনী মাঠকে সংগঠিত করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দিনরাত মাঠে থেকে তিনি বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করেন এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এই প্রক্রিয়ায় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এর প্রভাববলয় থেকে নেতাকর্মীদের আজহারুল ইসলাম মান্নানের বলয়ে এনে ধানের শীষের প্রতীকে ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন নিশ্চিত করাও ছিল একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

নির্বাচনী সময়ে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থাকলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলিম হোসেন দিপুর সাংগঠনিক দৃঢ়তা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার কৌশলের কারণে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

সবশেষে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের মনোবল অটুট রাখা এবং কার্যকর নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সমন্বয়েই নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিজয়ের পথ সুগম হয়েছে। এই জয়ের নেপথ্যে সংগঠক হিসেবে সেলিম হোসেন দিপুর ভূমিকা বিএনপির রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মান্নানের বিজয়: নেপথ্যে সেলিম হোসেন দিপু

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান এর বিজয়কে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন দিপু এর নাম। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, এই বিজয়ের পেছনে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রম ছিল অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই সেলিম হোসেন দিপু সিদ্ধিরগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করে তিনি পুরো নির্বাচনী মাঠকে সংগঠিত করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দিনরাত মাঠে থেকে তিনি বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করেন এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এই প্রক্রিয়ায় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এর প্রভাববলয় থেকে নেতাকর্মীদের আজহারুল ইসলাম মান্নানের বলয়ে এনে ধানের শীষের প্রতীকে ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন নিশ্চিত করাও ছিল একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

নির্বাচনী সময়ে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থাকলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলিম হোসেন দিপুর সাংগঠনিক দৃঢ়তা, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার কৌশলের কারণে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

সবশেষে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের মনোবল অটুট রাখা এবং কার্যকর নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার সমন্বয়েই নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিজয়ের পথ সুগম হয়েছে। এই জয়ের নেপথ্যে সংগঠক হিসেবে সেলিম হোসেন দিপুর ভূমিকা বিএনপির রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন