মমিনুল ইসলাম:
মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌর এলাকার দেওয়ানজিকান্দি গ্রামে সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। বাম্পার ফলনের আশায় অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছেন চাষি জসীম উদ্দিন। অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দূর–দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই ফুলের বাগান দেখতে ও ছবি তুলতে।
জানা গেছে, জসীম উদ্দিন ৩২ শতাংশ জমিতে চতুর্থবারের মতো বারি সূর্যমুখীর-৩ জাতের সূর্যমুখী চাষ করেছেন। মতলব উত্তর কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় ঘানি ব্যবহার করলে পরিপক্ব সূর্যমুখীর বীজ থেকে সহজেই তেল উৎপাদন করা যায়, যা বাজারে ভালো দামে বিক্রি হয়। জসীম উদ্দিন ছাড়াও উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে।
চাষি জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় সূর্যমুখী চাষ করেছি। গত দুই বছরও করেছি প্রথমবার লাভ হয়েছিল, দ্বিতীয়বার প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয়েছে। তৃতীয়বার লোকজন ছবি তুলতে এসে অনেক ফুল নষ্ট করেছে। যেসব ফুল থেকে তেল হবে না, সেগুলো ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বাজারে বিক্রি করব। আশা করছি এ বছর ভালো লাভ হবে। সামনে চাষ আরও বাড়াতে চাই।
ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের রাফিয়া খানম বলেন, প্রকৃতির ঘ্রাণ নিতে বান্ধবীদের নিয়ে এখানে এসেছি। ফুলের গন্ধে মন নেচে উঠছে।
দর্শনার্থী হুমায়ারা, আলো আক্তার, নুসরাত জাহান ও মরিয়ম আক্তার বলেন, ঘরবন্দি জীবন থেকে একটু মুক্ত হাওয়ায় বেড়াতে এসে এত সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগছে। সবাই মিলে ছবি তুলছি।
শিক্ষার্থী বেনজির হাসান বলেন, একসঙ্গে এত সূর্যমুখী ফুল দেখা সত্যিই দারুণ অনুভূতি। বাসায় ছোট বাগান করা যায়, কিন্তু এমন ফুলের ক্ষেত সচরাচর দেখা যায় না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, উৎপাদন বাড়াতে উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও সূর্যমুখী চাষ সম্প্রসারণে বীজ, সার ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে। অন্য তেলের তুলনায় সূর্যমুখীর চাহিদা বেশি, তাই কৃষকদের এ ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
এসকে মাল্টিমিডিয়া থেকে প্রকাশিত "প্রতিদিনের নিউজ ডটকম" হেড অফিস: ৫৩/এ নয়া পল্টন এক্সটেনশন রোড ঢাকা-১২০০। মোবাইল ০১৯৩০ ১৭২ ৫২০, ০১৩১৪ ১৬৮ ৬৪৪ । আঞ্চলিক অফিস: হাজী রজ্জব আলী সুপার মার্কেট (নিচ তলা) চিটাগাংরোড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। Email:protidinernews24@gmail
সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না