সোনারগাঁয়ে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার-১
- আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৫০

প্রতিদিনের নিউজ :
সোনারগাঁয়ে মো. নাঈম মিয়া (২২) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি রক্তাক্ত উদ্ধার করেছে এলাবাকাসী ও নিহতের ন্বজনরা। নিহত মো. নাঈম মিয়া পরমেশ্বরদী গ্রামের আ. হেকিমের ছেলে। সে পেশায় রাজমিস্ত্রী।
এ ঘটনায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সোনারগাঁ থানায় নিহতের বড় ভাই নাসিমুল ইসলাম বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের পরমেশ্বরদী গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে একটি জমি থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার সূত্রধরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় আবুল হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
জানাগেছে, নিহত মো. নাঈম মিয়া রাজমিস্ত্রী হলেও সুদের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত রবিবার রাত ৮টার দিকে নাঈম ও নাসিমুল দুই ভাই পাড়ার চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ অপরিচিত এক ফোন পেয়ে বাইরে যায় নাঈম।
পরে রাত নয়টার দিকে বাড়ির পাশে একটি ক্ষেতে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাঈমের দেহ পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
নিহতের বড় ভাই নাসিমুল ইসলাম জানান, তারা দুই ভাই এক সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। ঘটনার আগে তারা বাড়ির পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ একজনের ফোন পেয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে সেখান থেকে বের হয়ে যায়।
সে ফোনে বলতেছিল, আমার কাছে টাকা নাই’। দুই-তিনবার এ কথা বলছিল। তখনও একটু দূরে দাঁড়িয়ে কথা বলতেছিল। কিছুক্ষণ পর দেখি নাঈম সেখানে নাই। একটু পর তিনিও বাড়িতে চলে যান।
তিনি আরো জানান, বাড়িতে গিয়ে ছোট ভাই নাঈমকে তার মোবাইলে কলও দিয়ে বন্ধ পান। আধাঘন্টার পর বাইরে হৈ-চৈ শুনতে পেয়ে বেরিয়ে যান নাছিমুল। লোকজন “ডাকাত, ডাকাত” বলে চিৎকার করছিল।
পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে পাশের জমিতে গিয়ে নাঈমের বস্তাবন্দি রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যকান্ডের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নাঈম পেশায় রাজমিস্ত্রী। তিনি সুদের বিনিময়ে মানুষকে টাকা ধার দিতেন। হত্যাকারীদের সঙ্গে লেনেদেনের দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও পুলিশ কাজ করছে।



























