০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লার মানুষের জন্য অনেক কিছু করেছেন: গিয়াসউদ্দিন

রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৫৪

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রিয়নেত্রী আমরা কার্যকালে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লায় এসেছেন, আমাদের বক্তব্য শুনেছেন তিনিও বক্তব্য দিয়েছেন। এই এলাকার মানুষের যা, চাহিদা ছিলো তা তুলে ধরেছি, অনেক চাহিদা তিনি পূরন করেছেন, উল্লেখযোগ্যর মধ্যে এশিয়ার বৃহতম জুটমিল আদমজী, স্বাধীনতা লাভের পর এই জুটমিল হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে, জাতির অর্থকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। আমি যখন নেত্রীকে প্রস্তাব দিলাম এই জুট মিলবন্ধ করে দিয়ে এমন একটা শিল্প কারখানা গড়ে দেন যেখানে আমদজীর চাইতেও অধিক শ্রমিক কাজ করবে, লোকসান হবে না, বহির বিশ^থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়া করবে।

নেত্রী সেদিন সেই আহ্বান গ্রহণ করে ছিলেন আপনারা জানেন গোল্ডেনশেকের মাধ্যমে সমস্ত শ্রমিক,কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করে আদমজী জুটমিল বন্ধ করে এই ইপিজেড গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, এখন হাজার হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা যেমন অর্জিত হচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ এখানে এসে চাকরী করছেন।
বিশেষ করে আমাদের মা,বোনদেন জন্য চাকরির যে সংস্থা তিনি করে দিয়েছেন এই ইপিজেডের মাধ্যমে অন্যকোন দল,বা কোন নেতা,নেত্রী এই এলকার জন্য সে অবদান রাখতে পারে নাই।

আমি আজকে দেশনেত্রীর জন্য যেমন দোয়া করি, তেমনি আমি আমার এলাকার মানুষের কাছে আহ্বান জানাবো কৃতজ্ঞাতাবোধ থেকে তার জন্য আমরা যেন সবসময় দোয়া করব।

গিয়াসউদ্দিন বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। তার দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা উন্নয়নের অগ্রগতির রাজনীতি রেখে গেছেন সেই দলটা করে আমি সমাজে অনেক সম্মানিত হয়েছি। অনেক পরিচিত লাভ করেছি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে স্মরণ করছি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন।

আমরা যারা সিদ্ধিরগঞ্জবাসী আমাদের সকলেরই এলাকার প্রতি দরদ রয়েছে। এই এলাকার মানুষ আমাকে স্নেহ করে ভালোবেসে ছাত্র জীবনে দুই দুইবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। এরপর ফতুল্ল থানা ডেভেলপ কর্তিক নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েছি। এরপর বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আপনারা বানিয়েছেন ।

গিয়াস উদ্দিন আরো বলেন, আমি নেতাকর্মীদের জন্য নারায়ণগঞ্জ ৩ ও ৪ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছি আজকে জেলা রির্টানিং আমার দুটি মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা করেছেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ এবং সোনারগাঁ মিলে নির্বাচনী এলাকা ৩ বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে যিনি আজকে নির্বাচন করছেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেছেন সোনারগাঁয়ের পর শীতলক্ষা নদী ওই পশ্চিম পাড়ে যারা থাকে তারা সন্ত্রাসী।

আমি গিয়াসউদ্দিন এই মাটিতে এই এলাকায় জন্ম এই এলাকার সন্তান। এই এলাকাকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে দিতে পারেন না। আমরা সিদ্ধিরগঞ্জবাসী অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি । এই শিল্প এলাকায় পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি । বাংলাদেশ হওয়ার পরে সকল স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি।

সোনারগাঁয়ের আমার সহকর্মীরা আমাকে নিয়ে প্রত্যেকটা অঞ্চলে গণসংযোগ করিয়াছে, সভা সেমিনার করিয়েছে। নতুন করে যখন আমার এই এলাকা সোনারগাঁও এর সাথে মিশে ৩-আসনে গিয়েছে সোনারগাঁওয়ের নেতাকর্মীদের তিনি সমান্য মূল্যায়ন করেননি। যারা সোনারগাও নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমার প্রিয় সহকর্মী তাদের একজন কেউ ফোন দেননি এবং কথা বলেননি। সোনারগাঁ এবং সিদ্ধিরগঞ্জের আমার বিরুদ্ধে খুঁজে খুঁজে নেতাকর্মী বের করছেন তাদের নিয়ে আপনি কাজ করছেন। আমাদের নেতাকর্মীরা কি এতই খেতে পড়ে গেছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-৪ তৎকালীন সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানা নিয়ে গঠিত এ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আমি এই মাটির সন্তান হিসেবে সিদ্ধিরগঞ্জ বাসির হয়ে সারা বাংলাদেশে বহন করে নিয়ে গেছি। যেখানে গিয়েছি আমি সেখানে আমার পরিচয় আমার বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জ। আপনারা না গেলেও যেখানে গিয়েছি সেখানে আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের পরিচয় বহন করেছি।

আপনারা যেমন আমাকে ভালোবাসেন আমি এই মাটি ও মানুষকে ভালোবাসি। আপনারা আমার সাথে রাজনীতি করলেন আন্দোলন সংগ্রাম করলেন আমার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি চেয়েছেন আপনাদের এই দাবি আমি রাখবো। আমি আপনাদেরকে অপেক্ষা করতে পারি নাই। এজন্য আমি সম্মতি দিয়েছি হ্যাঁ আপনারা যদি চান যেকোনোভাবে আমি নির্বাচন অংশগ্রহণ করব।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, জি,এম,সাদরিল, সেলিম মাহমুদ, এ্যাডঃ মাসুদজ্জামান মন্টু, যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, কামরুল হাসান শরীফ, শ্রম-বিষয়ক সম্পাদক মোশরাফ হোসেন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন সিকদার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিস সিকদার, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মুন্সি, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুর রহমান বাদল,সাধারণ সম্পাদক জামান মির্জা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তৈয়ম হোসেন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রনিসহ আরো অনেকে।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

সাবধান
এই পৃষ্ঠার বিষয়বস্তু কপি করতে পারবেন না

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লার মানুষের জন্য অনেক কিছু করেছেন: গিয়াসউদ্দিন

আপডেট সময় : ০৮:০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রিয়নেত্রী আমরা কার্যকালে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লায় এসেছেন, আমাদের বক্তব্য শুনেছেন তিনিও বক্তব্য দিয়েছেন। এই এলাকার মানুষের যা, চাহিদা ছিলো তা তুলে ধরেছি, অনেক চাহিদা তিনি পূরন করেছেন, উল্লেখযোগ্যর মধ্যে এশিয়ার বৃহতম জুটমিল আদমজী, স্বাধীনতা লাভের পর এই জুটমিল হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে, জাতির অর্থকে কুরে কুরে খাচ্ছিল। আমি যখন নেত্রীকে প্রস্তাব দিলাম এই জুট মিলবন্ধ করে দিয়ে এমন একটা শিল্প কারখানা গড়ে দেন যেখানে আমদজীর চাইতেও অধিক শ্রমিক কাজ করবে, লোকসান হবে না, বহির বিশ^থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়া করবে।

নেত্রী সেদিন সেই আহ্বান গ্রহণ করে ছিলেন আপনারা জানেন গোল্ডেনশেকের মাধ্যমে সমস্ত শ্রমিক,কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করে আদমজী জুটমিল বন্ধ করে এই ইপিজেড গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, এখন হাজার হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা যেমন অর্জিত হচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ এখানে এসে চাকরী করছেন।
বিশেষ করে আমাদের মা,বোনদেন জন্য চাকরির যে সংস্থা তিনি করে দিয়েছেন এই ইপিজেডের মাধ্যমে অন্যকোন দল,বা কোন নেতা,নেত্রী এই এলকার জন্য সে অবদান রাখতে পারে নাই।

আমি আজকে দেশনেত্রীর জন্য যেমন দোয়া করি, তেমনি আমি আমার এলাকার মানুষের কাছে আহ্বান জানাবো কৃতজ্ঞাতাবোধ থেকে তার জন্য আমরা যেন সবসময় দোয়া করব।

গিয়াসউদ্দিন বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। তার দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা উন্নয়নের অগ্রগতির রাজনীতি রেখে গেছেন সেই দলটা করে আমি সমাজে অনেক সম্মানিত হয়েছি। অনেক পরিচিত লাভ করেছি কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে তাকে স্মরণ করছি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন।

আমরা যারা সিদ্ধিরগঞ্জবাসী আমাদের সকলেরই এলাকার প্রতি দরদ রয়েছে। এই এলাকার মানুষ আমাকে স্নেহ করে ভালোবেসে ছাত্র জীবনে দুই দুইবার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। এরপর ফতুল্ল থানা ডেভেলপ কর্তিক নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েছি। এরপর বাংলাদেশের সর্ব বৃহত্তম সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আপনারা বানিয়েছেন ।

গিয়াস উদ্দিন আরো বলেন, আমি নেতাকর্মীদের জন্য নারায়ণগঞ্জ ৩ ও ৪ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছি আজকে জেলা রির্টানিং আমার দুটি মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা করেছেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ এবং সোনারগাঁ মিলে নির্বাচনী এলাকা ৩ বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে যিনি আজকে নির্বাচন করছেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেছেন সোনারগাঁয়ের পর শীতলক্ষা নদী ওই পশ্চিম পাড়ে যারা থাকে তারা সন্ত্রাসী।

আমি গিয়াসউদ্দিন এই মাটিতে এই এলাকায় জন্ম এই এলাকার সন্তান। এই এলাকাকে তিনি সন্ত্রাসী বানিয়ে দিতে পারেন না। আমরা সিদ্ধিরগঞ্জবাসী অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেছি । এই শিল্প এলাকায় পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি । বাংলাদেশ হওয়ার পরে সকল স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি।

সোনারগাঁয়ের আমার সহকর্মীরা আমাকে নিয়ে প্রত্যেকটা অঞ্চলে গণসংযোগ করিয়াছে, সভা সেমিনার করিয়েছে। নতুন করে যখন আমার এই এলাকা সোনারগাঁও এর সাথে মিশে ৩-আসনে গিয়েছে সোনারগাঁওয়ের নেতাকর্মীদের তিনি সমান্য মূল্যায়ন করেননি। যারা সোনারগাও নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমার প্রিয় সহকর্মী তাদের একজন কেউ ফোন দেননি এবং কথা বলেননি। সোনারগাঁ এবং সিদ্ধিরগঞ্জের আমার বিরুদ্ধে খুঁজে খুঁজে নেতাকর্মী বের করছেন তাদের নিয়ে আপনি কাজ করছেন। আমাদের নেতাকর্মীরা কি এতই খেতে পড়ে গেছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-৪ তৎকালীন সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানা নিয়ে গঠিত এ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আমি এই মাটির সন্তান হিসেবে সিদ্ধিরগঞ্জ বাসির হয়ে সারা বাংলাদেশে বহন করে নিয়ে গেছি। যেখানে গিয়েছি আমি সেখানে আমার পরিচয় আমার বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জ। আপনারা না গেলেও যেখানে গিয়েছি সেখানে আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের পরিচয় বহন করেছি।

আপনারা যেমন আমাকে ভালোবাসেন আমি এই মাটি ও মানুষকে ভালোবাসি। আপনারা আমার সাথে রাজনীতি করলেন আন্দোলন সংগ্রাম করলেন আমার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি চেয়েছেন আপনাদের এই দাবি আমি রাখবো। আমি আপনাদেরকে অপেক্ষা করতে পারি নাই। এজন্য আমি সম্মতি দিয়েছি হ্যাঁ আপনারা যদি চান যেকোনোভাবে আমি নির্বাচন অংশগ্রহণ করব।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, জি,এম,সাদরিল, সেলিম মাহমুদ, এ্যাডঃ মাসুদজ্জামান মন্টু, যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, কামরুল হাসান শরীফ, শ্রম-বিষয়ক সম্পাদক মোশরাফ হোসেন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন সিকদার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিস সিকদার, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মুন্সি, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুর রহমান বাদল,সাধারণ সম্পাদক জামান মির্জা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তৈয়ম হোসেন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রনিসহ আরো অনেকে।

 

 


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন